ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২৬

নবাবগঞ্জে সানজিদা হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

অলিউর রহমান মিরাজ, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর)

অলিউর রহমান মিরাজ, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর)

জুলাই ৮, ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম

নবাবগঞ্জে সানজিদা হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের ছোট মহেশপুর গ্রামের আলোচিত সানজিদা হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। ঘটনার পাঁচ মাস ২০ দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামলার অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে ঘুমন্ত অবস্থায় সানজিদার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় সানজিদার বাবা মো. ওয়াহিদুল হক নবাবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত হিসেবে বিরামপুর উপজেলার কেটড়া গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে গোলাম মোর্শেদ (২৫)-কে শনাক্ত করা হয়। এর আগে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় (মামলা নম্বর-২১, তারিখ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ধারা ৩০২/৩৪, দণ্ডবিধি) গত ১১ জুন গোলাম মোর্শেদ নওগাঁ জেলা কারাগারে আটক ছিলেন। পরে তাকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

বিষয়টি জানার পর নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

নবাবগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার ডেভিড হিমাদ্রি বর্মন জানান, আদালতের অনুমতি নিয়ে এক দিনের রিমান্ডে এনে গোলাম মোর্শেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি সানজিদা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশকে জানান।

তিনি আরও বলেন, আসামির দেখানো মতে মামলার বাদী মো. ওয়াহিদুল হকের বসতবাড়ির রান্নাঘর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো বটি উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে আসামির কথিত স্বীকারোক্তির বিষয়টি আদালতে গ্রহণযোগ্যতা ও মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এম জি

Link copied!