ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

হাটহাজারীতে মেয়ের সামনে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

জুলাই ১০, ২০২৬, ০৮:২১ পিএম

হাটহাজারীতে মেয়ের সামনে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে মেয়ের সামনে মোহাম্মদ আজম (৩৮) নামে এক দর্জিকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার মেখল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের খলিফা পাড়া এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত আজম ওই এলাকার মরহুম ইসলামের ছেলে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দীর্ঘদিনের পারিবারিক জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাড়াটে খুনি দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী নিহতের মেয়ে জানান, সকালে তিনি ও তাঁর বাবা বাড়ির পাশে জমিতে বৃষ্টির পানিতে মাছ ধরতে যান। এ সময় দিদার নামে স্থানীয় এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজ তার দলবল নিয়ে সেখানে অতর্কিতে চড়াও হয়। তারা প্রথমে গালিগালাজ করে এবং এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

একপর্যায়ে আজম হামলাকারীদের পায়ে ধরে নিজের জীবন ভিক্ষা চান। কিন্তু খুনিরা কোনো কথা না শুনে তাঁকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। রক্তাক্ত আজম জীবন বাঁচাতে পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি। মেয়ে বাধা দিতে গেলে তাকেও গুলি করে হত্যার হুমকি দেয় সন্ত্রাসীরা। পরে মেয়ের চিৎকারে স্বজন ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে জমি থেকে আজমের মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

নিহতের স্ত্রীর অভিযোগ, জমিজমা নিয়ে তাঁর স্বামীর সাথে ভাসুরের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। বিরোধের জেরে তাঁদেরকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হলে তাঁরা দীর্ঘ ৭ বছর ভাড়া বাসায় ছিলেন। সম্প্রতি তাঁরা নিজেদের বাড়িতে ফিরে এলে ভাসুর পুনরায় ষড়যন্ত্র শুরু করেন।

নিহতের স্ত্রী দাবি করেন, তাঁর স্বামীকে খুন করার জন্য তাঁর ভাসুর মাদক ব্যবসায়ী দিদারকে লক্ষাধিক টাকা দিয়েছিলেন, যা আজম আগেই জানতে পেরে স্ত্রীকে জানিয়েছিলেন। মাত্র ৫০০ টাকার বিনিময়েও দিদার মানুষ খুন করতে পারে বলে জানান তিনি।

খবর পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি জাহিদুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে দুপুরের দিকে হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ গণমাধ্যমকে জানান, সকালে মাছ ধরার সময় কথা কাটাকাটির জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটলেও এর মূল কারণ মূলত মাছ ধরা নয়। দীর্ঘদিনের পারিবারিক জায়গা-জমির বিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!