ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিয়েছেন কত কোটি মানুষ, জানাল ইরানি গণমাধ্যম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জুলাই ১০, ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম

খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিয়েছেন কত কোটি মানুষ, জানাল ইরানি গণমাধ্যম

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সপ্তাহব্যাপী জানাজা ও দাফনে প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। ৬ দিনব্যাপী শোকানুষ্ঠান শেষে বৃহস্পতিবার মাশহাদের ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে আলি খামেনিকে দাফন করা হয়। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি এই শোকযাত্রাকে বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জনসমাগম বলে উল্লেখ করেছে।

তবে ইরানের স্বাধীন ও বিদেশ থেকে পরিচালিত ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান ‘ফ্যাক্টনামেহ’ বলছে ভিন্ন কথা। তাদের মতে, ৪ কোটি ৩০ লাখ লোক অংশ নেওয়ার এই দাবিটি ব্যাপকভাবে অতিরঞ্জিত এবং ত্রুটিপূর্ণ অনুমানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। সংস্থাটি জানায়, জানাজা ও দাফনে মোট উপস্থিতির প্রকৃত সংখ্যা আনুমানিক ৬ লক্ষ থেকে ৩০ লক্ষের মধ্যে ছিল।

সরকারিভাবে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো উপস্থিতির সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানানো হয়নি। তেহরান, কোম, নাজাফ, কারবালা ও মাশহাদে অনুষ্ঠিত এই শোকানুষ্ঠানে বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। এ ছাড়া হামাস, ইসলামিক জিহাদ, হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের প্রতিনিধিরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

দাফন অনুষ্ঠানে খামেনির তিন ছেলে মোস্তফা, মেইসাম ও মাসউদ উপস্থিত থাকলেও তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া মোজতবা খামেনিকে কোনো পর্বেই জনসম্মুখে দেখা যায়নি। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তাঁর বাবা নিহত হওয়ার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।

গত ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে খামেনির কফিন সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হলে সেখান থেকেই আনুষ্ঠানিক শোকযাত্রা শুরু হয়। যুদ্ধ শুরুর কারণে মার্চে নির্ধারিত জানাজা ও দাফন স্থগিত করা হয়েছিল।

এদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র একটি সমঝোতা স্মারকে সই করলেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আবারও দুই দেশের মধ্যে সংঘাত বেড়েছে। সর্বশেষ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার জবাবে বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে তেহরান।

সূত্র : আলজাজিরা ও এএফপি

জেএইচআর

Link copied!