ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

হাবিপ্রবিতে সাবেক গাড়ি চালকের বেতন নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর প্রতিনিধি

জুন ১০, ২০২৬, ০৬:১১ পিএম

হাবিপ্রবিতে সাবেক গাড়ি চালকের বেতন নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) পরিবহন ও যন্ত্র মেরামত শাখার সাবেক এক গাড়ি চালকের পদোন্নতি, পর্যায়োন্নয়ন এবং বেতন স্কেল নির্ধারণে অনিয়ম ও বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি ও রিজেন্ট বোর্ড বরাবর একাধিকবার লিখিত আবেদন করেও প্রতিকার না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ওই কর্মচারী।

অভিযোগকারী কর্মচারীর নাম মো. রেয়াজুল হক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ও যন্ত্র মেরামত শাখায় গাড়ি চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং গত ৪ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

ভুক্তভোগী কর্মচারীর লিখিত আবেদন ও সংযুক্ত নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, তাঁর কর্মকালীন সময়ে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে বিধি মোতাবেক প্রাপ্য সুবিধা থেকে তাঁকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সমপদ বা সমগ্রেডের অন্যান্য কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ১৫তম গ্রেড থেকে ১১তম গ্রেড প্রদান করা হলেও, তাঁর ক্ষেত্রে ১৩তম গ্রেড নির্ধারণ করা হয়।

দ্বিতীয় পর্যায়োন্নয়নের সময়ে সমপদের অন্যান্যদের বেতন স্কেল পরিবর্তন করা হলেও, তাঁকে নিয়মতান্ত্রিক স্কেল না দিয়ে কেবল একটি ইনক্রিমেন্ট প্রদান করা হয়, যার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই বলে তিনি দাবি করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী কয়েকজন কর্মকর্তার সিলেকশন গ্রেড দেওয়ার সময় ৯ম গ্রেড থেকে সরাসরি ৭ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করা হলেও, তাঁর ক্ষেত্রে বিধি লঙ্ঘন করে ৮ম গ্রেডে বেতন আটকে রাখা হয়।

জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর গেজেট অনুযায়ী, একই পদে ১০ ও ১৬ বছর চাকরি পূর্তিতে ১+১=২টি উচ্চতর স্কেল পাওয়ার নির্দেশনা থাকলেও তিনি তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সাবেক এই কর্মচারী জানান, কর্মকালীন সময় থেকে শুরু করে অবসর গ্রহণের পর পর্যন্ত তিনি তাঁর ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি, রিজেন্ট বোর্ড, হাবিপ্রবির রেজিস্ট্রার এবং সদস্য সচিব বরাবর বারবার আবেদন করেছেন। কিন্তু দফায় দফায় আবেদনের পরও কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সমাধান বা ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

অতিরিক্ত ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও সদস্য সচিব উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটির ড. মো. রফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমার নয়, আমি বর্তমানে একাডেমিক দায়িত্বে রয়েছি। প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা রেজিস্ট্রারের সাথে যোগাযোগ করুন। এ ব্যাপারে এডিশনাল চার্জ প্রফেসর ড. মো. আবু হাসান এর সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এএন

Link copied!