ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

‘আমি জগন্নাথের শের, তোকে আজ মেরেই ফেলব’ বলে ছাত্রদল নেতার হামলা

জবি প্রতিনিধি

জবি প্রতিনিধি

জুলাই ২৩, ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম

‘আমি জগন্নাথের শের, তোকে আজ মেরেই ফেলব’ বলে ছাত্রদল নেতার হামলা
অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা শের আলী।

"আমি জগন্নাথের শের, তোকে আজ মেরেই ফেলব।"- এমন হুমকি দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীকে পেরেকযুক্ত কাঠের তক্তা দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য শের আলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শের আলী, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আবিদ হাসান বাঁধনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযোগে তাঁর ছোট ভাই ও হবু স্ত্রীর ওপর হামলা এবং হবু স্ত্রীকে হেনস্তারও অভিযোগ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী হাসানান আল আবিত (সাবায়েত) বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের (১৮তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

অভিযোগে আবিত জানান, ঘটনার দিন রাত আনুমানিক ১২টার পর তিনি তাঁর ছোট ভাই, হবু স্ত্রী এবং ছোট ভাইয়ের এক বন্ধুকে নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে হবু স্ত্রীর সঙ্গে সামান্য মনোমালিন্য হলে তিনি সেখান থেকে চলে যেতে চাইলে তাঁর ছোট ভাই ও বন্ধু তাঁকে শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন।

এ সময় মোটরসাইকেলে করে সেখানে আসেন আইএমএল-এর শিক্ষার্থী শের আলী ও ভূগোল বিভাগের শিক্ষার্থী আবিদ হাসান বাঁধন। কোনো কিছু না জিজ্ঞেস করেই তাঁরা আবিতের ছোট ভাই ও তাঁর বন্ধুকে মারধর শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে আবিতের হবু স্ত্রী এগিয়ে এসে তাঁরা সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানালেও হামলা থামেনি। বরং শের আলী অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

শোরগোল শুনে আবিত ঘটনাস্থলে গেলে তাঁকেও ধাক্কা দেওয়া হয়। পরে পাশের একটি চায়ের দোকান থেকে পেরেকযুক্ত কাঠের তক্তা এনে শের আলী তাঁকে আঘাত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ সময় তিনি বলেন, "আমি জগন্নাথের শের, তোকে আজ মেরেই ফেলব।"

অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার ঘটনায় ১৮তম ব্যাচের শাওন, ২০তম ব্যাচের রাব্বিসহ আরও কয়েকজন অংশ নেন। এ সময় ভুক্তভোগীর হবু স্ত্রীকে মানসিকভাবে হেনস্তা করা হয় এবং তাঁকেও পেরেকযুক্ত তক্তা দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করা হয়। ঘটনার পর তিনি মারাত্মক মানসিক ট্রমার মধ্যে রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও চলছে।

প্রক্টরের কাছে দেওয়া অভিযোগে আবিত বলেন, "আমার ও আমার পরিবারের সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার এবং আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রক্টর মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি।"

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত শের আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর ব্যবহৃত ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, "ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অল্প কিছুক্ষণ আগে জানতে পেরেছি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তে যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দোষী প্রমাণিত হন, তাহলে সংগঠনের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, অভিযোগটি প্রশাসন আমলে নিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ডেকে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া হবে। পাশাপাশি ঘটনার সময় উপস্থিত অন্যদের সঙ্গেও কথা বলা হবে।

তিনি বলেন, "অভিযুক্ত শের আলীকে আগামীকাল তলব করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য শোনার পর প্রশাসন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।"

এএন

Link copied!