ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

ইবিতে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, যাচাইয়ে ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ গঠন

মাশুক এলাহী, ইবি

মাশুক এলাহী, ইবি

জুলাই ২৩, ২০২৬, ০২:০৭ পিএম

ইবিতে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, যাচাইয়ে ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ গঠন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী ফিরোজা নাজনিনের নিয়োগকে কেন্দ্র করে নানা বিতর্কের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগ বোর্ডের আগের দিন এক্সপার্টের সঙ্গে প্রার্থীর স্বামীর সাক্ষাৎ, ফলাফল অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগ, স্বজনপ্রীতি, সাংবাদিকদের বিভাগের সভাপতির তথ্য দিতে গড়িমসি করার অভিযোগসহ নানা বিতর্কিত বিষয় সম্প্রতি গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। এ নিয়ে প্রকৃত কারণ যাচাই-বাছাইপূর্বক উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান সিন্ডিকেট সদস্যদের নিয়ে একটি ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ গঠন করেছেন।

ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটিতে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রোকসানা মিলিকে আহ্বায়ক এবং একাডেমিক শাখার কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। এছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন থিওলজি অনুষদের ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. সেকান্দার আলী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক। তিনি বলেন, “গণমাধ্যমে উঠে আসা অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করতে কমিটিটি গঠন করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রোকসানা মিলি বলেন, ডিন অফিসে চিঠি পাঠানো হয়েছে। একাডেমিক শাখা আমাকে অবগত করেছে। ভেতরে কী আছে, বিস্তারিত এখনও পড়া হয়নি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসে দ্রুত আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু করে দেব।

এদিকে কমিটির সদস্য সচিব একাডেমিক শাখার কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, আজকে কমিটি গঠন করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক চিঠি এখনও পাইনি। কমিটির আহ্বায়ক যখন কাজ শুরু করবেন, তখন বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

এর আগে নিয়োগ বোর্ডের আগের দিন নিয়োগ বোর্ডের এক্সপার্ট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী ফারহানের সঙ্গে কুষ্টিয়ার আবাসিক হোটেল দিশা টাওয়ারে সাক্ষাৎ করেন প্রার্থী ফিরোজা নাজনিনের স্বামী অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম। ফলে এ নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়। নিয়োগের আগের দিন কী কারণে এক্সপার্টের সঙ্গে প্রার্থীর স্বামী সাক্ষাৎ করেছেন, বিষয়টি এখনও অস্পষ্ট।

গণমাধ্যমে উঠে আসা তথ্যে বলা হয়েছে, ড. জাহিদের বর্তমান স্ত্রী ফিরোজা নাজনিন তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নকালে বিভাগের পরীক্ষা কমিটির পরপর দুই বছর সভাপতি ছিলেন ড. জাহিদ। মানোন্নয়নের সময়ও তিনি দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গেছে। ফলে সে সময় ফিরোজা নাজনিনের ফলাফল অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়গুলো নিয়ে একাডেমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রথম বর্ষে প্রার্থী ফিরোজা নাজনিন এক কোর্সে ফেলসহ জিপিএ পান ২.৯৩। দ্বিতীয় বর্ষে তিনি ৩.৩৫ জিপিএ নিয়ে উত্তীর্ণ হন। পরে তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে বর্তমান স্বামী ড. জাহিদ পরীক্ষা কমিটির সভাপতি হলে তার ফলাফলে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। তৃতীয় বর্ষে তার জিপিএ হয় ৩.৫৭ এবং চতুর্থ বর্ষে ৩.৮৪। ফলে চারটি বর্ষের গড় জিপিএ দাঁড়ায় ৩.৪২।

পরবর্তীতে প্রার্থী মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ সময় মানোন্নয়ন পরীক্ষার দায়িত্বেও ড. জাহিদ ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। মানোন্নয়ন পরীক্ষায় তিনি অভূতপূর্ব ফল করেন। মানোন্নয়নের পর প্রথম বর্ষে রিটেইক ও দুটি মানোন্নয়ন পরীক্ষাসহ জিপিএ হয় ৩.৩৮, দ্বিতীয় বর্ষে একটি মানোন্নয়নসহ ৩.৪২, তৃতীয় বর্ষে একটি মানোন্নয়নসহ ৩.৬৪ এবং চতুর্থ বর্ষে ৩.৮৪। অথচ প্রথম বর্ষে মানোন্নয়নের আগে তার জিপিএ ছিল ২.৯৩। মাস্টার্সে তার ফলাফল ছিল ৩.৬৪। জানা যায়, তিনি মাস্টার্সে নন-থিসিস গ্রুপের ছাত্রী ছিলেন।

তবে অভিযোগের বিষয়টি এখনও চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।

এএন

Link copied!