ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
ট্রাম্প

বিপদে পাশে থাকি, অথচ প্রয়োজনের সময় মিত্ররা সঙ্গ দিচ্ছে না

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মার্চ ১৬, ২০২৬, ০৩:০০ পিএম

বিপদে পাশে থাকি, অথচ প্রয়োজনের সময় মিত্ররা সঙ্গ দিচ্ছে না
ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের আবহে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারের সময় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।  

ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে এবং চলমান সামরিক অভিযানে মিত্ররা যদি যুক্তরাষ্ট্রকে পর্যাপ্ত সহায়তা করতে ব্যর্থ হয়, তবে ন্যাটোর সামনে ‘খুবই খারাপ ভবিষ্যৎ’ অপেক্ষা করছে। ট্রাম্প ন্যাটোর কার্যক্রমকে একটি ‘একমুখী রাস্তা’ হিসেবে অভিহিত করে অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় মিত্রদের পাশে দাঁড়ালেও প্রয়োজনের সময় মিত্ররা তাদের সঙ্গ দিচ্ছে না।

ট্রাম্প তার বক্তব্যে বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে মিত্রদের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্রের থেকে হাজার মাইল দূরে হওয়া সত্ত্বেও আমেরিকানরা উদারভাবে সেখানে সহায়তা পাঠিয়েছে, যা আসলে তাদের করার প্রয়োজন ছিল না। 

এখন ইরানের বিপদজনক সামরিক সক্ষমতা ধ্বংসের এই লড়াইয়ে মিত্ররা একই রকম সহযোগিতা করবে কি না, তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। মিত্রদের কাছ থেকে ঠিক কী ধরনের সাহায্য প্রয়োজন—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, ‘যা কিছু প্রয়োজন’ তার সবই দিতে হবে এবং এখানে কোনো শর্ত চলবে না।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাজ্যের ওপরও তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি বলেন যে, যুক্তরাজ্যকে এক নম্বর মিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হলেও যখন তাদের এই যুদ্ধে আসার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছিল, তখন তারা আসতে চায়নি। 

ট্রাম্পের ভাষায়, মার্কিন বাহিনী যখন ইরানের সক্ষমতা প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে, তখন ব্রিটেন দুটি জাহাজ পাঠানোর কথা বলেছে। এই বিলম্বিত প্রস্তাবকে উপহাস করে ট্রাম্প বলেন যে, তার সাহায্যের প্রয়োজন ছিল যুদ্ধের ময়দানে জেতার আগে, জেতার পরে নয়। মিত্রদের এমন গড়িমসি ন্যাটোর কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বলে তিনি মনে করেন।

এ ছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে বেইজিংয়ের ওপর চাপ সৃষ্টির নতুন কৌশলের কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। এই লক্ষ্যে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে নির্ধারিত সম্মেলনটি পিছিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন। 

ট্রাম্পের যুক্তি হলো, চীন ও অন্যান্য দেশ যেহেতু এই জলপথের বড় সুবিধাভোগী, তাই এই পথ নিরাপদ রাখার দায়িত্ব তাদেরও নিতে হবে। তিনি মনে করেন, যারা এই প্রণালীর সুফল ভোগ করছে, সেখানে কোনো অঘটন না ঘটা নিশ্চিত করার প্রাথমিক দায়িত্ব তাদেরই হওয়া উচিত। ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন অস্থিরতা তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সূত্র: ফিনান্সিয়াল টাইমস

এএন

Link copied!