ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের সর্বপ্রথম জ্বালানি শূন্য দেশ হতে পারে বাংলাদেশ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

এপ্রিল ২, ২০২৬, ১১:১১ এএম

যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের সর্বপ্রথম জ্বালানি শূন্য দেশ হতে পারে বাংলাদেশ

ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ টানা ৩৩ দিনে গড়িয়েছে, যার প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মক চাপে পড়েছে। তেলের দাম বেড়ে আকাশচুম্বী হওয়ায় আমদানিনির্ভর দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে এর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট- এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বের প্রথম তেল শেষ হয়ে যাওয়া দেশ হতে পারে বাংলাদেশ। বুধবার (১ এপ্রিল) ইনডিপেনডেন্ট এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ১৭ কোটি মানুষের এই দেশে মোট জ্বালানির প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানিনির্ভর। ফলে বৈশ্বিক সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়ছে অভ্যন্তরীণ বাজারে। ইতোমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানির ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক মোটরসাইকেলচালক ও পরিবহনকর্মীকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে সীমিত পরিমাণ তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে, কেউ কেউ আবার খালি হাতেই ফিরছেন।

পাম্পগুলোতে দ্রুত জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় চাপ বাড়ছে। এমনকি রাজধানীর ব্যস্ত সড়কেও যানবাহনের সংখ্যা কমে আসার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চয়তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। পারস্য উপসাগর থেকে ভারত মহাসাগরে যাওয়ার এই রুট দিয়ে এশিয়ার বড় অংশের অপরিশোধিত তেল পরিবাহিত হয়। যুদ্ধের কারণে এই পথ স্বাভাবিক থাকবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

সরকারি তথ্য বলছে, দেশের একমাত্র শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে অপরিশোধিত তেলের মজুত সীমিত যা দিয়ে মাত্র দুই সপ্তাহের চাহিদা মেটানো সম্ভব। একইভাবে ডিজেল ও অকটেনের মজুতও দ্রুত কমছে; মার্চের শুরুতে ডিজেলের মজুত ছিল মাত্র ৯ দিনের চাহিদার সমান।

এ পরিস্থিতিতে সরকার জ্বালানি রেশনিং চালুর চিন্তাভাবনা করছে। ডিজেল বিক্রিতে নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুৎ সাশ্রয় নির্দেশনা, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার মতো পদক্ষেপও বিবেচনায় রয়েছে। যদিও সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বলছে দেশে জ্বালানি সংকট নেই, তবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ভিন্ন ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এদিকে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও আজারবাইজানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

এএন

Link copied!