ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এপ্রিল ২৪, ২০২৬, ১০:১৪ এএম

ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ল

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েল ও লেবানন তাদের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও তিন সপ্তাহ বাড়াতে সম্মত হয়েছে। এই ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প জানান, ইসরায়েলি ও লেবাননি প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে ওয়াশিংটনে সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। আলোচনার এক পর্যায়ে ট্রাম্প বলেন, হিজবুল্লাহর মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীর উপস্থিতির কারণে পরিস্থিতি জটিল হলেও শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে এই সংলাপ একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আক্রান্ত হলে ইসরায়েলের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

অন্যদিকে, লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদে মোয়াদ এই উদ্যোগের জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় লেবাননকে পুনর্গঠন করে আবারও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে কয়েক দশকের মধ্যে এটিই দুই দেশের মধ্যে প্রথম সরাসরি কূটনৈতিক সংলাপ।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন জানান, এই বর্ধিত যুদ্ধবিরতির মূল লক্ষ্য হলো ইসরায়েলি হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করা এবং দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার নিশ্চিত করা। পাশাপাশি ইসরায়েলে আটক লেবাননিদের মুক্তি, সীমান্তে লেবাননি সেনা মোতায়েন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু করার ওপরও জোর দেন তিনি।

তবে হিজবুল্লাহ এই আলোচনার তীব্র বিরোধিতা করেছে। গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ওয়াফিক সাফা জানান, সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে হওয়া কোনো চুক্তি তারা মেনে নেবে না।

গত ২ মার্চ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লেবাননে অন্তত ২,৩০০ জন নিহত হয়েছে এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

সংঘাতের সূত্রপাত হয় যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার দুই দিন পর হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে রকেট হামলা চালায়। এর জবাবে ইসরায়েল লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা ও স্থল অভিযান শুরু করে। বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননের প্রায় ১০ কিলোমিটার ভেতরে একটি বাফার জোন তৈরি করে অবস্থান করছে ইসরায়েলি বাহিনী।

ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডন সার দাবি করেছেন, হিজবুল্লাহই দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তি ও স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার প্রধান বাধা।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। বুধবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় প্রখ্যাত সাংবাদিক আমাল খলিল নিহত হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই যুদ্ধবিরতির অতিরিক্ত তিন সপ্তাহকে স্থায়ী শান্তি চুক্তির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এম জি

Link copied!