ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোকে ১৫০ কোটি ডলার সহায়তা দেবে ওপেক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম

যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোকে ১৫০ কোটি ডলার সহায়তা দেবে ওপেক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতি যখন অস্থির, তখন উন্নয়নশীল দেশগুলোর পাশে দাঁড়াতে বড় ধরনের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট।

ভিয়েনাভিত্তিক এই সংস্থাটি জানিয়েছে, জ্বালানি সংকট, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় ১৫০ কোটি ডলারের একটি বিশেষ সহায়তা প্যাকেজ চালু করা হয়েছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এই অর্থ এককালীন দেওয়া হবে না; বরং ২০২৮ সাল পর্যন্ত ধাপে ধাপে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন দেশে বিতরণ করা হবে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। এ অবস্থায় ওপেক ফান্ডের এই উদ্যোগকে অত্যন্ত সময়োপযোগী হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই তহবিলের বড় অংশ ব্যয় করা হবে জরুরি পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে। বিশেষ করে খাদ্যশস্য ও সারের বাজার যুদ্ধের কারণে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে ডলার সংকট কাটাতে সহজ শর্তে ঋণ ও অনুদানের ব্যবস্থাও রাখা হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সহায়তা শুধু অর্থনৈতিক সহায়তা নয়, বরং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল স্থিতিশীল করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ইরানকেন্দ্রিক সংঘাতের কারণে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচও বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সহায়তা পেলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হবে।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, তারা ওয়ার্ল্ড এবং ইন্টারন্যাশনাল ফান্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে, যাতে কোনো দেশ অর্থ সংকটে মানবিক বিপর্যয়ের মুখে না পড়ে। বিশেষভাবে আফ্রিকা, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার আমদানিনির্ভর দেশগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, এই সহায়তা প্যাকেজ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি সুরক্ষা বলয় হিসেবে কাজ করবে। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই অর্থ ব্যবহার করা গেলে চলমান সংকটের মধ্যেও অনেক দেশ তাদের অর্থনীতি সচল রাখতে পারবে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই প্রথম কিস্তির অর্থ ছাড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এম জি

Link copied!