ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় সোনার খনি ধসে নিহত ৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ১৫, ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম

ইন্দোনেশিয়ায় সোনার খনি ধসে নিহত ৯

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে একটি অবৈধ স্বর্ণখনিতে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত ৯ জন খনি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। 

শুক্রবার দেশটির স্থানীয় পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ জানায়, পশ্চিম সুমাত্রার সিজুঞ্জুং জেলায় অবস্থিত খনিটির পাশের একটি পাহাড় বৃহস্পতিবার ধসে পড়ে। এ সময় শ্রমিকরা পাহাড়ের মাত্র তিন মিটার নিচে কাজ করছিলেন। ধসের ফলে ঘটনাস্থলেই নয়জন চাপা পড়ে মারা যান। তবে তিনজন শ্রমিক প্রাণে বেঁচে যেতে সক্ষম হন।

পশ্চিম সুমাত্রা পুলিশের মুখপাত্র সুস্মেলাবতি রোসা বলেন, খনিটি সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর পুলিশ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে নিখোঁজ সবাইকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে খনিটি বন্ধ করে এলাকাটি পুলিশি নিরাপত্তার আওতায় রাখা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ ইন্দোনেশিয়ায় অনুমোদনহীন খনির কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে পরিত্যক্ত খনিগুলোতে স্থানীয়রা নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই সোনার আকরিকের সন্ধানে ঝুঁকিপূর্ণভাবে কাজ করেন। বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড় ধসের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে।

এর আগে ২০২৪ সালে সুলাওয়েসি দ্বীপে এবং গত বছর পশ্চিম জাভার একটি চুনাপাথরের খনিতেও একই ধরনের দুর্ঘটনায় বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছিল।

এদিকে, স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠন ‘ওয়ালহি’ এই ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সাল থেকে শুধুমাত্র পশ্চিম সুমাত্রাতেই অবৈধ খনিতে দুর্ঘটনায় অন্তত ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, সিজুঞ্জুংয়ের এই মর্মান্তিক ঘটনা আবারও প্রমাণ করেছে যে পরিবেশবিধ্বংসী ও প্রাণঘাতী অবৈধ খনন কার্যক্রম থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে রাষ্ট্র ব্যর্থ হচ্ছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই সাধারণ মানুষ বারবার এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মুখে পড়ছে।

এম জি

Link copied!