ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতন ও আত্মহত্যার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ১৮, ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতন ও আত্মহত্যার অভিযোগ

যৌতুকের লোভ ও পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে ভারতে এক নববধূর আত্মহত্যার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। বিয়ের মাত্র দেড় মাসের মাথায় ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে দীপিকা নাগর নামের ওই গৃহবধূ প্রাণ হারিয়েছেন। সোমবার ভারতের গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের গাজিয়াবাদের গ্রেটার নয়ডা এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহতের পরিবারের দাবি, শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ধারাবাহিক যৌতুকের চাপ ও পাশবিক নির্যাতন সইতে না পেরেই দীপিকা আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গ্রেটার নয়ডার জলপুরা এলাকার বাসিন্দা ঋত্বিকের সাথে দেড় মাস আগে ধুমধাম করে বিয়ে হয় দীপিকার। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে বিয়েতে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ করেছিল দীপিকার পরিবার। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন অতিরিক্ত যৌতুকের দাবিতে দীপিকার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে।

দীপিকার বাবা সঞ্জয় নাগর জানান, বিয়ের পর থেকেই তাঁদের সংসার ভাঙার উপক্রম হয়। জামাতা ঋত্বিক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা যৌতুক হিসেবে একটি ফরচুনার গাড়ি এবং নগদ ৫১ লাখ টাকা দাবি করে আসছিল। এই বিপুল অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় দীপিকার ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, “সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে আমরা বিয়ের সময় তাদের একটি স্কর্পিও এন মডেলের গাড়ি, নগদ ১০ লাখ টাকা, প্রচুর সোনার অলংকার ও ১৬টি আংটি উপহার দিয়েছিলাম। কিন্তু এতেও তাদের লোভ কমেনি।”

ঘটনার দিন ঋত্বিকের পরিবার থেকে ফোন করে জানানো হয়, দীপিকা পা পিছলে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাঁকে শারদা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালে গিয়ে দীপিকার পরিবার জানতে পারে সে মারা গেছে।

দীপিকার বাবার দাবি, তাঁর মেয়ে মানসিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল এবং সে কোনোভাবেই নিজে থেকে আত্মহত্যা করতে পারে না। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে তিনি জানান, দীপিকার শরীরে মারধরের অসংখ্য দাগ ছিল। বিশেষ করে তাঁর পায়ে গভীর ক্ষত এবং মুখে আঁচড়ের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে নিহতের পরিবার।

জেএইচআর

Link copied!