ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াতে আফগানিস্তানকে সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ২৯, ২০২৬, ১২:৫১ পিএম

আকাশ প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়াতে আফগানিস্তানকে সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া

আফগানিস্তানের বর্তমান তালেবান সরকার রাশিয়ার কাছ থেকে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামসহ বড় ধরনের সামরিক সহায়তা পাওয়ার একটি শক্তিশালী প্রতিশ্রুতি আদায় করেছে। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই চাঞ্চল্যকর তথ্যটি নিশ্চিত করেছে। কাবুলের আকাশসীমা সুরক্ষায় এটিকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মস্কোকে এই আধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রদানে রাজি করানোর পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছেন তালেবান প্রশাসনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ। এই চুক্তিতে শুধু আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাই নয়, বরং স্থল সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ এবং আফগান বাহিনীকে বিশেষ সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়টিও চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সম্প্রতি রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের উপস্থিতিতে এই সমঝোতা নথিতে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর করা হয়। চুক্তি সইয়ের সময় রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সের্গেই শোইগু এবং আফগান প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ উপস্থিত ছিলেন, যা দুই দেশের সামরিক বোঝাপড়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিল।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ ইয়াকুব মুজাহিদ গত মঙ্গলবার একটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিতে মস্কো সফর করেন। সেখানে রুশ নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাথে বৈঠকে তিনি রাশিয়াকে বৈশ্বিক রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর যেসব দেশ কাবুলে দূতাবাস চালু রেখেছিল, রাশিয়া তাদের অন্যতম। এর আগে ২০২২ সালে তালেবান সরকারের সাথে রাশিয়ার প্রথম আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক চুক্তি সই হয়েছিল, যার অধীনে আফগানিস্তানে নিয়মিত তেল, গ্যাস ও গম সরবরাহ করে আসছে মস্কো।

আফগানিস্তানের মাটিতে জঙ্গি গোষ্ঠীর উপস্থিতি নিয়ে রাশিয়া ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর দীর্ঘদিনের উদ্বেগ রয়েছে। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী মুজাহিদ দাবি করেছেন, তাদের বাহিনী অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহী নেটওয়ার্ক দমনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে এবং আফগান মাটি অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।

সম্প্রতি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা সের্গেই শোইগু স্পষ্ট করেছেন যে, আফগানিস্তানের বর্তমান নেতৃত্বের সাথে পূর্ণাঙ্গ অংশীদারিত্ব বজায় রাখা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি। ক্রেমলিনের মতে, কাবুলের বর্তমান প্রশাসনকে এড়িয়ে এই অঞ্চলে কোনো প্রকৃত প্রভাব বিস্তার করা সম্ভব নয়।

কদিন আগে প্রতিবেশী পাকিস্তানের সাথে সীমান্ত সংঘাতের সময় আকাশ প্রতিরক্ষা খাতে আফগানিস্তানের বড় ধরনের দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছিল। মূলত ওই ঘটনার পর থেকেই সামরিক শক্তি বাড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে তালেবান এবং এরই ধারাবাহিকতায় কোনো আঞ্চলিক দেশের সাথে এই প্রথম তারা ঐতিহাসিক সামরিক চুক্তি করল।

সূত্র: বিবিসি

এএন

Link copied!