ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা

বাগেরহাটে সংসদীয় আসন চারটিই থাকবে

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

নভেম্বর ১০, ২০২৫, ০৫:১৮ পিএম

বাগেরহাটে সংসদীয় আসন চারটিই থাকবে

বাগেরহাট জেলার সংসদীয় আসনসংখ্যা চারটিই বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আসনসংখ্যা কমিয়ে তিনটিতে আনার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন আদালত।

সোমবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর আদালত এক রুল জারি করে জানতে চান, বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না এবং নির্বাচন কমিশনের গেজেটে আসনসংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।

এই রিট দায়ের করেন স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন-এর মধ্যে ছিল বাগেরহাট প্রেসক্লাব, জেলা আইনজীবী সমিতি, জেলা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও ট্রাক মালিক সমিতি। তারা রিটে সরকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে বিবাদী করেন।

স্থানীয়দের আন্দোলনের জয়: বাগেরহাটে আসনসংখ্যা কমানোর ঘোষণার পর থেকেই স্থানীয় রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও পেশাজীবী মহল একত্রিত হয়ে আন্দোলনে নামে। সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি গঠন করে তারা টানা কর্মসূচি-মানববন্ধন, অবস্থান, হরতাল ও বিক্ষোভ-চালিয়ে আসছিল। তাদের দাবি ছিল, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে আসন পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

কমিশনের সিদ্ধান্তের পটভূমি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে বাগেরহাটের চারটি আসন কমিয়ে তিনটিতে আনার প্রস্তাব দেয়। 

পরে ৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চূড়ান্ত গেজেটে আসনগুলো পুনর্গঠন করে- বাগেরহাট-১: সদর, চিতলমারী ও মোল্লাহাট, বাগেরহাট-২: ফকিরহাট, রামপাল ও মোংলা, বাগেরহাট-৩: কচুয়া, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা।

এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাগেরহাটে ১৯৬৯ সাল থেকে চালু থাকা চার আসনের ঐতিহ্য ভেঙে যায়।

আদালতের পর্যবেক্ষণ: হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, আসন পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে জনগণের মতামত ও স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কমিশন সেটি যথাযথভাবে করেনি—ফলে তাদের সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে গণ্য হবে।

ভবিষ্যৎ প্রেক্ষাপট: রায়ের ফলে বাগেরহাট আবারও চারটি আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেবে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ রায় শুধু বাগেরহাট নয়, দেশের অন্যান্য জেলাতেও আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত বিতর্কে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

বাগেরহাটবাসীর দীর্ঘদিনের আন্দোলন আদালতের রায়ে যে স্বীকৃতি পেল, তা প্রশাসনিক নীতিনির্ধারণে জনগণের মতামতের গুরুত্ব আবারও স্মরণ করিয়ে দিল।

জেএইচআর

Link copied!