ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি সোহেল রানার অতীত অপরাধনামা জানাল ডিবি

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২২, ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম

রামিসা হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি সোহেল রানার অতীত অপরাধনামা জানাল ডিবি

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার প্রধান আসামি জাকির হোসেন ওরফে সোহেল রানা সম্পর্কে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। 

শুক্রবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডে দায়ের করা মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুততম সময়ের মধ্যে আদালতে জমা দেওয়া হবে। তিনি জানান, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা এর আগেও নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল এবং তার স্বভাবচরিত্র ভালো ছিল না।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর একটি বাসা থেকে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হলে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে সে আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সোহেল রানার আদি বাড়ি নাটোরের মহেশচন্দ্রপুরে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, সে এলাকায় একজন পেশাদার চোর হিসেবে পরিচিত ছিল। সরকারি রড চুরি এবং স্থানীয় অটো-মিলের রড চুরির অপরাধে সে একাধিকবার ধরা পড়ে গণপিটুনিও খেয়েছিল। তবে তৎকালীন স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ছত্রছায়ায় থাকার কারণে প্রতিবারই সে পার পেয়ে যেত।

তার আপন ছোট বোন জলি বেগম তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চার বছর আগে সোহেল বৃদ্ধ মা-বাবা এবং পরিবারকে ফেলে চলে যায়। আমরা তার কোনো পরিচয় দিতে চাই না এবং ভবিষ্যতে তার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখতেও আগ্রহী নই। সে যে জঘন্য অপরাধ করেছে, তার যেন সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়।

তদন্তে জানা গেছে, সোহেলের পারিবারিক জীবনও ছিল কলঙ্কিত। ১০ বছর আগে করা তার প্রথম সংসারে একটি সন্তান রয়েছে। তবে আপন ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ার কারণে তার সেই সংসার ভেঙে যায়। তিন বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করলেও তার আচরণের কোনো পরিবর্তন হয়নি। উল্টো অনলাইন জুয়া ও তীব্র মাদকাসক্তির কারণে সে বিপুল পরিমাণ ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে। পাওনাদারদের চাপের মুখে একপর্যায়ে সে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়।

নাটোর ছেড়ে ঢাকায় এসে মিরপুরের পল্লবী এলাকায় রিকশা মেরামতের কাজ শুরু করে সোহেল। সেখানেও তার মাদকাসক্তি ও উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন অব্যাহত ছিল। পল্লবীর বিহারি ক্যাম্পের একটি বাসায় সাবলেট থাকার সময় নিয়মিত ইয়াবা সেবনের অপরাধে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে একটি গ্যারেজে কাজ নিলেও অনিয়মের কারণে সেখান থেকেও ছাঁটাই হয় সে। সবশেষ পল্লবীর জনৈক মাসুদের বাসায় সাবলেট হিসেবে ওঠার মাত্র ১৫ দিনের মাথায় সে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে।

জেএইচআর

Link copied!