ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
জ্বালানি মন্ত্রণালয়

সীমিত উৎপাদনে চলছে ইস্টার্ন রিফাইনারি

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

সীমিত উৎপাদনে চলছে ইস্টার্ন রিফাইনারি

কাঁচামালের অভাবে দেশের একমাত্র জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধ হওয়ার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসলেও শোধনাগারটি এখনো লো-ফিডে বা সীমিত উৎপাদনে চালু আছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে। 

বুধবার জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, মার্চ ২০২৬ শিডিউলের ক্রুড অয়েল পার্সেল মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যথাসময়ে পৌঁছাতে না পারায় বর্তমানে ইআরএল লো-ফিডে চালু রাখা হয়েছে। তবে সরকার সূচি অনুযায়ী পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি নিশ্চিত করছে এবং নিয়মিত আমদানির পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের একমাত্র রিফাইনারি ইআরএল জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে ভূমিকা রাখে। তবে চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ক্রুড অয়েল স্বল্পতার কারণে চাহিদা অনুযায়ী পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি নিশ্চিত করা হচ্ছে বিধায় লো-ফিডে ইআরএল চালু থাকলেও এর কোনো বিরূপ প্রভাব সরবরাহ চ্যানেলে পড়বে না। এ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই।

মনির হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, দেশের মূল জ্বালানি তেল ডিজেলের মাত্র ১৫ শতাংশ এবং পেট্রলের ১১ শতাংশ ইআরএল থেকে পাওয়া যায়। বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অপরিশোধিত তেল আমদানি ব্যাহত হওয়ায় সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ পরিশোধিত তেল আমদানি করে একদিকে ইআরএল থেকে প্রাপ্ত তেলের ঘাটতি যথাযথভাবে পূরণ করছে এবং অন্যদিকে সীমিত পর্যায়ে ইআরএলের উৎপাদনও অব্যাহত রেখেছে। ইআরএলের মোট ইউনিট সংখ্যা ৪টি। এর মধ্যে ২টি ইউনিট বর্তমানে মেইনটেন্যান্স এবং ২টি অপারেশনে আছে।’

ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, ইস্টার্ন রিফাইনারি সৌদি আরবের অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড অয়েল (এএলসি) এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মারবান ক্রুড অয়েল আমদানি করে পরিশোধন করে দেশের মোট বার্ষিক জ্বালানি তেলের চাহিদার ৫ ভাগের ১ ভাগ সরবরাহ করে, যার পরিমাণ বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন। বছরের শুরুতে নেওয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতি মাসে সাধারণত ১/২টি কার্গো আমদানি করে ইআরএলের উৎপাদন অব্যাহত রাখে। দেশের চাহিদা অনুযায়ী, অবশিষ্ট জ্বালানি তেল পরিশোধিত আকারে আমদানি করা হয়।

যুগ্মসচিব আরও জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ডিজেল ৪৭ লাখ ৪২ হাজার টন বিক্রি হয়েছিল, যার মধ্যে ইআরএলের জোগান ছিল ৭ লাখ ৩২ হাজার ২৩০ টন বা ১৫.৪৪ শতাংশ। পেট্রল বিক্রি হয়েছিল ৪ লাখ ৮৯ হাজার টন। সেখানে ইআরএলের জোগান ৫৮ হাজার ৩০৯ টন বা ১১.৯২ শতাংশ। আর অকটেন বিক্রি হয়েছিল ৪ লাখ ৩৭ হাজার টন। এখানে ইআরএল থেকে জোগান ছিল না। এর বাইরে ফার্নেস তেল, কেরোসিন ও বিটুমিনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উপজাত হিসেবে ইআরএল থেকে পাওয়া যায়।

এম জি

Link copied!