ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

বন্ধ কারখানা চালুর লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২৩, ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম

বন্ধ কারখানা চালুর লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা

দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ, বেসরকারি খাতের উন্নয়ন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিই এই বিশেষ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

শনিবার ঢাকার মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে গভর্নর ড. মোস্তাফিজুর রহমান এই তথ্য জানান।

গভর্নর বলেন, ঘোষিত প্যাকেজের আওতায় মোট ৬০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ৪১ হাজার কোটি টাকা বন্ধ ও আংশিক সচল কারখানা পুনঃচালুর জন্য পুনঃঅর্থায়ন হিসেবে ব্যবহার করা হবে। বাকি ১৯ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক তার নিজস্ব তহবিল থেকে সরবরাহ করবে।

ব্রিফিংয়ে সুদের হারের বিষয়ে জানানো হয়, গ্রাহক পর্যায়ে বড় শিল্পের ক্ষেত্রে এই ঋণের সুদের হার ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের ক্ষেত্রে সুদের হার কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। এই তহবিল থেকে বৃহৎ শিল্পের পাশাপাশি কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) এবং কৃষি খাতেও অর্থায়নের সুযোগ রাখা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে প্রায় ২৫ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এই প্রণোদনা প্যাকেজ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বন্ধ কারখানাগুলো আবার সচল হবে, নতুন উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি হবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। এর পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, সবুজ বিনিয়োগ ও গ্রামীণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে, যা সামগ্রিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কোভিড-পরবর্তী সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের অস্থিরতার কারণে যেসব প্রতিষ্ঠান গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, মূলত সেগুলোই এই সুবিধার আওতায় আসবে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্যের বাজারে ভালো চাহিদা এবং নিশ্চিত ক্রয়াদেশ (ওয়ার্ক অর্ডার) রয়েছে, ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে তারা বিশেষ অগ্রাধিকার পাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে বিভিন্ন বাণিজ্য সংগঠন ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করে ১ হাজার ২০০টিরও বেশি বন্ধ ও আংশিক চালু শিল্প ইউনিটকে এই সহায়তার জন্য প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করেছে।

জেএইচআর

Link copied!