Amar Sangbad
ঢাকা মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০২২, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করে জিয়া: নিখিল 

নিজস্ব প্রতিবেদক

মে ১২, ২০২২, ০৬:৪০ পিএম


বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করে জিয়া: নিখিল 

জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো: মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ মহানগর যুবলীগ কার্যালয়ে ১৭ মে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ৪২ তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগ  আয়োজিত বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। 

তিনি বলেন, এদেশের স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকচক্র, বিপথগামী কিছু সেনার সহায়তায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের পুরস্কৃত করেছিল জিয়াউর রহমান। তিনি মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা, দেশপ্রেমিক অনেক সৈনিককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছেন। তিনি জামাতকে এদেশে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছেন। স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের মন্ত্রীত্ব দিয়েছে, তাদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা দিয়ে এদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের অপমানিত করেছেন। জিয়াউর রহমান এদেশের যুবসমাজকে মাদক আর অস্ত্র দিয়ে ধ্বংস করেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার সন্ত্রাসী ক্যাডাররা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ভূলণ্ঠিত হয়েছিল। সেই সময়ে আলোর ঝলকানি হয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। দীর্ঘদিন লড়াই-সংগ্রাম করে ফিরিয়ে এনেছেন গণতন্ত্র, মানবাধিকার, দাঁড়িয়েছেন নিপীড়িত শোষিত-বঞ্চিত মানুষের পাশে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশকে নিয়ে যাচ্ছেন উন্নয়নের অগ্রযাত্রায়। 

যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন- ১৭ মে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুবলীগের গৃহীত কর্মসূচি সফল করবেন। জামাত-বিএনপি দেশকে নিয়ে নানা মুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের সকল ষড়যন্ত্রের বিষদাঁত ভেঙে দিয়ে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশের নেতৃত্বে আমরা রাজপথে শক্ত অবস্থানে থাকবো। 

সভায় সভাপতিত্ব করেন- ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল ও সঞ্চালনা করেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তাসবিরুল হক অনু। আরও বক্তব্য রাখেন-যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো: রফিকুল ইসলাম, জসিম মাতুব্বর, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, উপ-দপ্তর সম্পাদক মো: দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সহ-সভাপতি জাফর ইকবাল, মো: জলিলুর রহমান, মুজিবুর রহমান বাবুল, আক্তারুজ্জামান আক্তার, সাব্বির আলম লিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর রহমান, মো: খায়রুল উদ্দিন আহমেদ, সিদ্দিক বিশ্বাস, শিবলী সাদিক, মোহাম্মদ মামুন সরকার, শাহাদাত হোসেন সেলিম, প্রচার সম্পাদক মো: রাকিব হোসেন মিরন।

উপস্থিত ছিলেন- যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য তাজউদ্দিন আহমেদ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো: সাদ্দাম হোসেন পাভেল, উপ-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকত, উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া শামীম, কার্যনির্বাহী সদস্য ইঞ্জি. মো: মোক্তার হোসেন চৌধুরী কামাল, কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুল হাকিম তানভীর, মো: কাইফ ইসলাম, আসাদুজ্জামান আজম, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সেলিম খান, উপ-দপ্তর সম্পাদক এইচ এম কামরুজ্জামান, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক কাইসুর রহমান সিদ্দিক সোহাগ, উপ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, উপ-মহিলা সম্পাদক নাজমুন নাহার মুক্তি, উপ-জনশক্তি ও কর্মসংস্থান সম্পাদক মো: কামারুজ্জামান কামরুল, উপ-মুক্তিযুদ্ধ সম্পাদক মো: জালাল উদ্দিন, সহ-সম্পাদক মো: মিজানুর রহমান, নাজমুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মুকুল, খাদিজা পারভীন, সদস্য শেখ শামছুদ্দিন, শামসুল আলম খান ফারুক, আব্দুল বাতেন, আল আমিন, নাজমুল হোসেন আরিফসহ কেন্দ্রীয় মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।