Amar Sangbad
ঢাকা বুধবার, ০৬ জুলাই, ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯

শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে যুবলীগের ব্যতিক্রমি আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক

মে ১৫, ২০২২, ০৬:১২ পিএম


শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে যুবলীগের ব্যতিক্রমি আয়োজন

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ব্যতিক্রমি কর্মসূচি নিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। দিনটিকে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে সারাদেশ ব্যাপী মানবিক কর্মসূচি পালন করবে যুবলীগ। 

এরই অংশ হিসেবে আগামীকাল সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে যুবলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা, দৃষ্টি প্রতিবন্ধি, বাক প্রতিবন্ধি, শ্রবণ প্রতিবন্ধি ও শারীরিক প্রতিবন্ধিদের মাঝে শাড়ী, লুঙ্গি, হুইল চেয়ার ও সাদা ছড়ি বিতরণ করা হবে। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীর বিক্রম। সম্মানিত অতিথি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ হুমায়ুন কবির। সভাপতিত্ব করবেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ।  সঞ্চালনা করবেন সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

যুবলীগের প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী বলেন, যুবলীগের সম্মানিত চেয়ারম্যান সব সময়ই কল্যানমুখি রাজনীতিতে জোর দিচ্ছেন। এরই অংশ হিসেবে নেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে অসহায় মানুষকে সহায়তা দেবার কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনন্য ইতিহাস। তিনি সেদিন ফিরেছিলেন বলেই গনতন্ত্র ও উন্নয়ণের রাজনীতি ফিরেছে।
 
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর প্রায় ছয় বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরেন তার জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যেদিন বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়, শেখ হাসিনা তখন তার ছোটবোন শেখ রেহানা এবং দুই সন্তানসহ স্বামীর কর্মস্থল পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করছিলেন। ফলে তারা খুনিদের হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যান।

দেশের মাটিতে পা দিয়ে লক্ষ লক্ষ জনতার সংবর্ধনায় আপ্লুত শেখ হাসিনা সেদিন বলেছিলেন, “সব হারিয়ে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে তার আদর্শ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণে আমি জীবন উৎসর্গ করতে চাই’।

এএ/ইএফ