ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

৭৫ কোটি টাকার সম্পদ মির্জা আব্বাসের, বার্ষিক আয় ৯ কোটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম

৭৫ কোটি টাকার সম্পদ মির্জা আব্বাসের, বার্ষিক আয় ৯ কোটি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তার নির্বাচনী হলফনামায় স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে মোট ৭৫ কোটি ৫ লাখ ৮৩ হাজার ১৪৩ টাকার সম্পদের হিসাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৯ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৩ টাকা।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসের মোট দায়ের পরিমাণ ২৩ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৮ টাকা। এছাড়া তার স্ত্রী ও বিএনপি নেত্রী আফরোজা আব্বাসের দায় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পদের বিবরণে মির্জা আব্বাস উল্লেখ করেছেন, তার কাছে নগদ ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং ১ লাখ ২ হাজার ৮৭৫ মার্কিন ডলার রয়েছে। 

ঢাকা ব্যাংকে তার ৫৮ কোটি টাকার শেয়ার রয়েছে এবং বিও অ্যাকাউন্টে শেয়ারের মূল্য ২ কোটি ১ লাখ ৭২ হাজার ২৫১ টাকা। এছাড়া ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার, ২২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য ও ২০ লাখ টাকার আসবাবপত্রের মালিক তিনি। তার স্থাবর সম্পত্তির অর্জনকালীন মূল্য ৩ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা এবং যৌথ মালিকানাধীন সম্পদের মূল্য ৯৪ লাখ ৮১ হাজার ১৩১ টাকা।

হলফনামায় মির্জা আব্বাসের আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে বাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থান ভাড়া থেকে ৩ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার ১৮২ টাকা এবং শেয়ার ও ব্যাংক আমানত থেকে প্রায় ৪ কোটি ৯৩ লাখ ১০ হাজার ৩৪১ টাকা। তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের ৩৩ কোটি ১৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ থাকলেও তাঁর নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি দেখানো হয়নি।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে মির্জা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের একটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। বর্তমানে মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা বিচারাধীন এবং ৭টি মামলা স্থগিত অবস্থায় আছে। ১০টি মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন বা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৪ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই চলবে। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

ইএইচ

Link copied!