ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

আইনি জটিলতা ও আসন সমঝোতায় যে ১০ আসনে প্রতীকহীন বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক 

নিজস্ব প্রতিবেদক 

ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ১১:৫৭ এএম

আইনি জটিলতা ও আসন সমঝোতায় যে ১০ আসনে প্রতীকহীন বিএনপি

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হয়ে গেছে। তবে এবার ৩০০টি সংসদীয় আসনের সবগুলোতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ঐতিহ্যবাহী প্রতীক ‘ধানের শীষ’ দেখা যাবে না। আইনি জটিলতা, ঋণখেলাপির অভিযোগ এবং জোটগত আসন সমঝোতার কারণে মোট ১০টি আসনে এই জনপ্রিয় প্রতীকটি অনুপস্থিত থাকছে। 

মূলত কুমিল্লার দুটি আসনে আদালতের চূড়ান্ত রায়ে ধানের শীষের প্রার্থীরা ছিটকে পড়ায় এবং অন্য ৮টি আসনে মিত্রদের ছাড় দেওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের রায়ের পর এই ১০টি আসনের চিত্র চূড়ান্ত হয়েছে।

কুমিল্লার দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল হওয়ার পর আপিল বিভাগ তা বহাল রাখায় সেখানে কোনো 'ধানের শীষ' থাকছে না:

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার): এই আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে ১৩০ কোটি টাকার বেশি ঋণখেলাপির অভিযোগ আনেন এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ। নির্বাচন কমিশন থেকে আপিল বিভাগ পর্যন্ত দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে মঞ্জুরুল আহসানের প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষিত হয়েছে।

কুমিল্লা-১০: দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। উচ্চ আদালতে রিট ও লিভ টু আপিল করেও তিনি প্রার্থিতা ফিরে পেতে ব্যর্থ হন।

নির্বাচনী কৌশল ও জোটের ঐক্য রক্ষায় বিএনপি ৮টি আসনে তাদের মিত্র দলগুলোকে ছাড় দিয়েছে। এসব আসনে সংশ্লিষ্ট দলগুলো তাদের নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করছে:

মিত্রদের মধ্যে সর্বাধিক চারটি আসন পেয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। দলটির প্রার্থীরা সিলেট-৫ আসনে মাওলানা মোহাম্মদ উবায়দুল্লাহ ফারুক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, নীলফামারী-১ আসনে মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মুফতি মনির হোসেন কাসেমী বিজয় অর্জন করেছেন।

অন্যান্য শরিক দল থেকেও কয়েকটি আসনে প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন ভিন্ন ভিন্ন প্রতীকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি ‘মাথাল’ প্রতীকে জয়ী হন। ঢাকা-১২ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক ‘কোদাল’ প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন। পটুয়াখালী-৩ আসনে গণ অধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর বিজয় পান ‘ট্রাক’ প্রতীক নিয়ে। আর ভোলা-১ আসনে বিজেপির আন্দালিভ রহমান পার্থ ‘গরুর গাড়ি’ প্রতীকে জয় অর্জন করেন।

বিএনপি ২৯০টি আসনে ধানের শীষ নিয়ে লড়াই করলেও এই ১০টি আসনে তাদের অনুপস্থিতি বা মিত্রদের প্রতি সমর্থন নির্বাচনী ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে কুমিল্লা-৪ আসনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিদায়ের পর হাসনাত আব্দুল্লাহর পথ অনেকটা সুগম হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, জোটের প্রার্থীদের জেতাতে ওই ৮ আসনে বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

প্রতীকের লড়াইয়ের চেয়ে এবার প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ইমেজ এবং জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের প্রেক্ষাপট বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে। ধানের শীষ না থাকলেও এই ১০ আসনে বিএনপির সমর্থকরা কোন দিকে ভোট দেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এএন

Link copied!