আমার সংবাদ ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসছেন ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সদস্যরা।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) জোটভুক্ত অন্যান্য দলের নির্বাচিত সদস্যরা এই বৈঠকে অংশ নেবেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে এনসিপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, জোটভুক্ত সংসদ সদস্যরা কিছুক্ষণের মধ্যেই সংসদ ভবনে বৈঠকে বসবেন এবং সেখান থেকেই শপথের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে।
এর আগে সকালে সংসদ ভবনে শপথ অনুষ্ঠান শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে জানান, সংবিধানে এখনো ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ নামক কোনো বিষয়ের প্রতিফলন ঘটানো হয়নি। তিনি বলেন, আমরা কেউ এই পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হইনি এবং সংবিধানে এখনো এটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী যদি এমন কোনো পরিষদ গঠিত হয়, তবে তা আগে সংবিধানে যুক্ত করতে হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও উল্লেখ করেন, এই পরিষদের সদস্যদের শপথ কে পাঠ করাবেন, সে বিষয়েও বর্তমানে সুনির্দিষ্ট কোনো বিধান নেই। এই সংক্রান্ত ফরম বা বিধিবিধান সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে অন্তর্ভুক্ত হওয়া আবশ্যক। সংসদীয় প্রক্রিয়ায় এসব পরিবর্তন গৃহীত হওয়ার পরই কেবল শপথ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যাবে বলে তিনি জানান।
বিএনপির এই অবস্থানের পরপরই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ না করেন, তবে জামায়াতের সদস্যরা সংসদ সদস্য কিংবা পরিষদ কোনো শপথই নেবেন না। সংস্কারবিহীন সংসদ তাঁদের কাছে অর্থবহ নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জেএইচআর