আমার সংবাদ ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেন। সাধারণত বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠান হলেও এবার প্রথা ভেঙে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় খোলা আকাশের নিচে এর আয়োজন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে নবনির্বাচিত সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।
প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে পদের শপথ ও গোপনীয়তার শপথ পাঠ করান। এরপর রাষ্ট্রপতি ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীকে শপথ পাঠ করান।
সরকারি সূত্র ও বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের তথ্য অনুযায়ী, নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন চূড়ান্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে অর্থ ও পরিকল্পনা এবং সালাহউদ্দিন আহমদকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হচ্ছেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। নারী ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আবদুল আউয়াল মিন্টু পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকছেন মিজানুর রহমান মিনু।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন নিতাই রায় চৌধুরী। খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। আরিফুল হক চৌধুরী শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন জহির উদ্দিন স্বপন। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী হচ্ছেন আফরোজা খানম এবং পানিসম্পদ মন্ত্রী হচ্ছেন শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
আসাদুল হাবীব দুলু দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী হচ্ছেন জাকারিয়া তাহের এবং পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন দীপেন দেওয়ান।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন। সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা এবং ফকির মাহবুব আনাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন।
সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের গুরুদায়িত্ব পাচ্ছেন শেখ রবিউল আলম। এদিকে প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যেও দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত পাচ্ছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং শরীফুল আলম বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাচ্ছেন। শামা ওবায়েদ পররাষ্ট্র এবং সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভূমি এবং ফরহাদ হোসেন আজাদ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন। টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমিনুল হক পাচ্ছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং হাবিবুর রশিদ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন।
মো. রাজিব আহসান রেলপথ ও নৌপরিবহন এবং মো. আব্দুল বারী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন। মীর শাহে আলম স্থানীয় সরকার এবং জোনায়েদ সাকি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাচ্ছেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন ইশরাক হোসেন। ফারজানা শারমীন নারী ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ এবং শেখ ফরিদুল ইসলাম পরিবেশ ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন। নুরুল হক নুর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন।
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন ইয়াসের খান চৌধুরী এবং এম ইকবাল হোসেইন পাচ্ছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ। স্বাস্থ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এম এ মুহিত। আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর গৃহায়ণ, ববি হাজ্জাজ শিক্ষা এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন।
জেএইচআর