ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

রোজা রাখতে না পারলে কাফফারা আদায় করবেন যে পদ্ধতিতে

ধর্ম ডেস্ক

ধর্ম ডেস্ক

মার্চ ১৪, ২০২৬, ০৪:২১ পিএম

রোজা রাখতে না পারলে কাফফারা আদায় করবেন যে পদ্ধতিতে
ছবি: সংগৃহীত

রমজান মাস মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও নেয়ামতে ভরপুর। মুসলমানরা এ মাসে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জনের চেষ্টা করেন। তবে নানা কারণে কখনো কখনো রোজা রাখা সম্ভব না-ও হতে পারে বা ভুলবশত রোজা ভেঙে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ইসলামে রোজার কাজা, কাফফারা ও ফিদিয়ার বিধান রয়েছে।

ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়াই রোজা ভেঙে ফেলেন, তাহলে তার জন্য রোজার কাজা ও কাফফারা উভয়ই আদায় করা আবশ্যক। কাজা হলো ভাঙা রোজার পরিবর্তে পরে একটি রোজা রাখা। আর কাফফারা হলো সেই ভুলের প্রতিকার হিসেবে অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ আদায় করা।

হাদিস ও ফিকহবিদদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, রোজার কাফফারার তিনটি পদ্ধতি রয়েছে। প্রথমত, একজন দাস মুক্ত করা। বর্তমানে দাসপ্রথা না থাকায় এ পদ্ধতি কার্যত প্রযোজ্য নয়। দ্বিতীয়ত, যদি দাস মুক্ত করা সম্ভব না হয়, তাহলে টানা ৬০ দিন রোজা রাখতে হবে। আর সেটিও যদি সম্ভব না হয়, তবে ৬০ জন দরিদ্র বা মিসকিনকে দুই বেলা করে খাবার খাওয়াতে হবে।

ফকিহদের অধিকাংশের মতে, কাফফারা আদায়ের ক্ষেত্রে এই ধাপগুলো ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ কেউ দাস মুক্ত করতে অক্ষম হলে তাকে দুই মাস ধারাবাহিকভাবে রোজা রাখতে হবে। আর তা রাখতে না পারলে ৬০ জন মিসকিনকে আহার করাতে হবে।

একটি রোজা ইচ্ছাকৃতভাবে ভাঙলে তার জন্য একটি কাজা ও একটি কাফফারা আদায় করতে হয়। অর্থাৎ একদিনের রোজা ভাঙলে মোট ৬১টি রোজা রাখতে হবে একটি কাজা ও ৬০টি কাফফারা। দুটি রোজা ভাঙলে ৬২টি, তিনটি ভাঙলে ৬৩টি রোজা রাখতে হবে।

তবে কাফফারার ৬০টি রোজা টানা ও ধারাবাহিকভাবে আদায় করা বাধ্যতামূলক। যদি কোনো কারণে এ ধারাবাহিকতা ভেঙে যায়, তাহলে আবার নতুন করে ৬০ দিনের রোজা শুরু করতে হবে। এর আগে রাখা রোজাগুলো নফল হিসেবে গণ্য হবে।

অবশ্য কোনো গ্রহণযোগ্য ওজর বা জরুরি পরিস্থিতির কারণে রোজা ভেঙে গেলে তা ক্ষমাযোগ্য। নারীদের ক্ষেত্রে বিশেষ সময়ের বিরতি বাদ দিয়ে ধারাবাহিকভাবে কাফফারার রোজা আদায় করতে হবে।

অন্যদিকে, শিশুদের ওপর রোজা ফরজ নয়। তবে তারা অনেক সময় আগ্রহ বা বড়দের উৎসাহে রোজা রাখে। সে অবস্থায় যদি তারা ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভেঙে ফেলে, তাহলে তাদের ওপর কাজা বা কাফফারা কোনোটি বাধ্যতামূলক হয় না।

এএন

Link copied!