Amar Sangbad
ঢাকা সোমবার, ০৪ মার্চ, ২০২৪,

সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপ

সেরা দলকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হতে চায় বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৪, ০৭:৩৮ পিএম


সেরা দলকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হতে চায় বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়শিপের শুরুটা দারুণ করেছিল ভারত। ভুটানকে ১০-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে প্রথম ম্যাচেই তারা তাদের সামর্থের প্রমাণ দিয়েছে। সেই ভারতের বিপক্ষেই আজ টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে খেলতে নামবে বাংলাদেশ।   

বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতার গত চার আসরে তিনবার চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। ২০২২ সালে ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে হেরেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। এই দুই দল আজ ফের মুখোমুখি। যদিও কোনো কোচের কণ্ঠে প্রতিশোধের দামামা বাজছে না, কিন্তু শিরোপা লড়াইয়ের উত্তাপ তাতে কমছে না একটুও। 

কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে আজ সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ উইমেন’স চ্যাম্পিয়নশিপে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে নামবে দুই দল। ম্যাচটি মাঠে গড়াবে সন্ধ্যা ৬টায়। এবারের রাউন্ড রবিন লিগে দেখা হয়েছিল দুই দলের, সেখানে বিজয়ের হাসি বাংলাদেশের। সাগরিকার দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল সাইফুল বারী টিটুর দল। শেষ মুহূর্তের গোলে হারলেও ওই ম্যাচে আক্রমণে ছড়ি ঘুরিয়েছিল ভারতই। অনেক সুযোগ নষ্ট করার কারণেই সেদিন লক্ষ্যপূরণ হয়নি তাদের। এবার ফাইনাল নিয়ে যদিও দলটির কোচ শুক্লা দত্তের কণ্ঠে প্রতিশোধের ঝাঁঝ নেই, কিন্তু ওই হারের ক্ষত যে এখনও শুকায়নি, তা পরিষ্কার। 

শুক্লা দত্ত বলেন, প্রতিশোধ! এই মানসিকতা আমার মধ্যে নেই। খেলতে এসেছি, খেলব। আবার বাংলাদেশের সাথে দেখা হচ্ছে (ফাইনালে), সেটাই বড় ব্যাপার। আমারও ভালো লাগবে বাংলাদেশের সাথে আবারও খেলতে পেরে, একটা ম্যাচ ওদের বিপক্ষে খেলেছি, তা হেরেছি। দেখা যাক, ফাইনালে কী হয়। 

২০২২ সালে অনূর্ধ্ব-১৮ বছর বয়সীদের আসরে রাউন্ড রবিন লিগ ও ফাইনাল- দুই ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে একই ব্যবধানে (১-০) হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই হারের প্রতিশোধ নেওয়ার হুঙ্কার ছাড়লেন না টিটুও। বাংলাদেশ কোচ বলেন, অতীত প্রসঙ্গ আমি আসলে খুব একটা অনুভব করি না, যেহেতু আমি ওই সময় দায়িত্বে ছিলাম না। আপনি যদি কোথাও না থাকেন, তখন আপনি ওই সময়ের উত্তাপটা অনুভব করবেন না। এটা ভিন্ন টুর্নামেন্ট, তুলনামূলক ভালো দলটিই জিতবে। বাংলাদেশ কোচের পরের কথাগুলো অবশ্য এতটা সাদামাটা নয়। সেখানে ভারতের প্রতি সমীহ থাকলেও তাদেরকে হারিয়ে শেষটা রাঙানোর লক্ষ্য বেশ স্পষ্ট। ভারতের বিপক্ষে প্রথম যে ম্যাচটা খেলেছিলাম, সেখানেই তো বুঝেছিলাম কঠিন প্রতিপক্ষ। খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ হয়েছিল ওটা। ফাইনালেও ভারতকে সমীহ করতে হবে। ওভাবে নিজেদের খেলাটা খেলতে হবে। ফাইনাল এমন একটা বিষয় আপনার শরীর চলবে না, কিন্তু মন চাইবে ভালো করার। ভারত ক্লান্ত থাকলেও ওভাবেই আসবে, আমাদের ওভাবেই খেলতে হবে। ফাইনালে যে কোনো দলই জিততে পারে। যারাই চ্যাম্পিয়ন হয়, সেরা দলকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হতে হয়। 

আরএস
 

Link copied!