ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

৭ দিন আগে মায়ের মৃত্যু, জানতেন না পাশের রুমের মেয়ে ও বুয়েট শিক্ষক ছেলে

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুন ২, ২০২৬, ১০:৪৩ এএম

৭ দিন আগে মায়ের মৃত্যু, জানতেন না পাশের রুমের মেয়ে ও বুয়েট শিক্ষক ছেলে
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মিরপুরের একটি আবাসিক ভবন থেকে নুরজাহান বেগম (৭২) নামের এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি প্রায় সাত থেকে আট দিন আগে মারা গেছেন। দীর্ঘ সময় মরদেহ পড়ে থাকায় এতে পচন ধরে যায়।

রোববার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের ১২ নম্বর সড়কের ৮ নম্বর বাসায় যায়। পরে সেখান থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নুরজাহান বেগম তার মেয়ের বাসায় থাকতেন। একই ফ্ল্যাটে আলাদা দুটি কক্ষে মা ও মেয়ে বসবাস করতেন। রোববার মেয়েটি মায়ের কক্ষে গিয়ে কোনো সাড়া না পেয়ে একজন নার্সকে ডাকেন। তিনি প্রথমে ধারণা করেছিলেন, তার মা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

নার্স কক্ষে প্রবেশ করে দেখেন, বৃদ্ধা অনেক আগেই মারা গেছেন। দীর্ঘদিন মরদেহ পড়ে থাকায় শরীরে পচন ধরে এবং কিছু অংশ বিছানায় খসে পড়েছিল। বিষয়টি দেখে তিনি দ্রুত বাইরে এসে অন্যদের জানান। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেয়।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায় মরদেহে ব্যাপক পচন ধরেছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, মৃত্যুর ঘটনা অন্তত এক সপ্তাহ আগে ঘটেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, বৃদ্ধা কয়েকদিন আগেই মারা যান। তবে তার মেয়ে বিষয়টি বুঝতে পারেননি। এমনকি মৃত্যুর পর দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি মায়ের কক্ষে যাননি বলে স্থানীয়দের ধারণা।

ওসি আরও জানান, মেয়ের আচরণ কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। একই বাসায় থেকেও তিনি কোনো দুর্গন্ধ টের পাননি বলে জানিয়েছেন, যা তদন্তকারীদের ভাবিয়ে তুলেছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নুরজাহান বেগমের এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের সচিব হিসেবে কর্মরত এবং আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক। তারা কেউ মায়ের সঙ্গে থাকতেন না। মৃত্যুর খবর পেয়ে বুয়েটে কর্মরত ছেলে বাসায় এলেও সচিব পদে কর্মরত ছেলে সেখানে উপস্থিত হননি। এছাড়া মেয়ের স্বামীও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বলে জানা গেছে।

ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

এএন

Link copied!