কুমিল্লা প্রতিনিধি
মার্চ ৭, ২০২৪, ০৭:২৪ পিএম
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে উপ-নির্বাচনের মেয়র পদে নির্বাচন নির্বিঘ্নে করতে পুলিশ - বিজিবি- র্যাব- আনসার ভিডিপিসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে।
কেন্দ্র এবং কেন্দ্রের বাইরের নিরাপত্তায় অস্ত্রধারী পুলিশ ও আনসার সদস্য
মোতায়েনের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৯ মার্চ কুমিল্লা সিটি উপ- নির্বাচন উপলক্ষ্যে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স ভোট গ্রহনের আগের দুই দিন, ভোটের দিন এবং পরে একদিন মোতায়েন থাকবে। ২৭ টি ওয়ার্ডে ১০৫ কেন্দ্রের জন্য প্রতি ওয়ার্ডে ১ টি করে ২৭ টি পুলিশের মোবাইল ফোর্স, প্রতি ৩ ওয়ার্ডে ১ টি করে ৯ টি স্ট্রাইকিং ফোর্স, ২ টি রিজার্ভ
স্ট্রাইকিং, র্যাবের ২৭ টি টীম এবং ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এছাড়া প্রতি কেন্দ্রে ৪ জন অস্ত্রসহ পুলিশ, ২ জন অস্ত্রসহ আনসার ও ১০ জন লাঠিসহ নারী ও পুরুষ আনসার ভিডিপি সদস্য থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের জন্য ১ জন বেশী অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্যা বেশি থাকবে। অর্থাৎ সাধারণ ভোট কেন্দ্রে ১৬ জন ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৭ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকার নির্দেশনা রয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফরহাদ হোসেন জানান, প্রতিটি কেন্দ্রকেই গুরুত্বপূর্ণ ধরা হয়েছে- সে হিসেবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী মোতায়েন হবে। অন্তত ২৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। প্রশাসন চাইলে আরো বেশি সদস্য মোতায়েন করতে পারেন। তবে আমরা চাই সুশৃঙ্খল নির্বিঘ্নে নির্বাচন। এজন্য নির্বাচন কমিশনের সকল নির্দেশনা মানা হবে।
এদিকে প্রচারনার সময় ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার সাংবাদিকদের জানান, আমি চাই সব ক`টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে গুরুত্ব দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হোক। ভোট লুট কিংবা ভোটাররা কেন্দ্রে আসতে বাঁধা বিপত্তি যেন না হয় সে জন্য দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।
টেবিল ঘড়ি প্রতীকের মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমাদের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয় এমন কেন্দ্রের তালিকা রিটার্নিং অফিসারকে দিয়েছি। আশা করি সেগুলো আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আগামী ৯ মার্চ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ২ লাখ ৪২ হাজার ভোটার ১০৫টি কেন্দ্রে ভোট দিবেন।
আরএস