ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

প্রাইভেট না পড়েই ক্যাডেট কলেজে চান্স পেলেন আরাফাত

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

মার্চ ১২, ২০২৪, ০৩:৪৮ পিএম

প্রাইভেট না পড়েই ক্যাডেট কলেজে চান্স পেলেন আরাফাত

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার নুরজাহানপুর অব. সামরিক কলোনি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আরাফাত সিদ্দিকী (১৩)। ব্যবসায়ী বাবা এবং স্কুল শিক্ষিকা মায়ের পরিবারে প্রথম সন্তান সে। ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষা-২০২৪ এর চূড়ান্ত ফলাফলে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন মেধাবী এই শিক্ষার্থী।

আরাফাত সিদ্দিকী ঘোড়াঘাট পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের নুরজাহানপুর গ্রামের মশিউর রহমান সিদ্দিকী রানার ছেলে। তার বাবা একজন ব্যবসায়ী এবং মা নাসরিন আক্তার দক্ষিণ জয়দেবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। দুই ভাই বোনের মধ্যে আরাফাত বড়।

গ্রামটি থেকে প্রথমবারের মতো কোন শিক্ষার্থী ক্যাডেট কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এতে উচ্ছ্বাসিত আরাফাতের পরিবার এবং গ্রামবাসী।

সোমবার চূড়ান্ত মেধা তালিকা প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ। ফলাফলে চলতি বছর রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে ভর্তি সুযোগ পেয়েছেন ৫৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে একজন আরাফাত সিদ্দিকী। আগামী ১৮ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত চলবে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের স্ব-স্ব ক্যাডেট কলেজে ভর্তি কার্যক্রম।

পরিবারের প্রথম সন্তান হওয়ায় বাবা-মায়ের কাছে আরাফাত বেশ আদরের। আরাফাতের হাতেখড়ি পৌরসভার ব্রাইট কিন্ডারগার্ডেন স্কুলে।

এদিকে ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ায় মেধাবী আরাফাতকে নিজ দপ্তরে ডেকে নিয়ে গিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম।

মেধাবী শিক্ষার্থী আরাফাত সিদ্দিকী বলেন, আমার সফলতার পেছনের বড় কারিগর আমার বাবা-মা। আমার জন্য তারা দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। তাদের আলোয় আমি আলোকিত হয়েছি। আমি পড়াশুনা শেষ করে দেশের জন্য কাজ করতে চাই। পরিবার ও গ্রামবাসীর মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।

আরাফাতের বাবা মশিউর রহমান সিদ্দিকী রানা বলেন, আমি আমার ব্যাবসায়িক কাজের বাহিরে বাকি সময়টুকু সন্তানের জন্য ব্যয় করতাম। শত কাজের মাঝে তাকে প্রতিদিন স্কুলে নিয়ে যাওয়া এবং নিয়ে আসা আমার নিয়মিত ডিউটি ছিল। এছাড়া আমার স্ত্রী শিক্ষকতা করার সুবাদে স্কুলের এবং পরিবারের কাজের শেষে বাকি সময়টুকু সন্তানের পেছনে লেগে থাকতেন।

ইএইচ

Link copied!