ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

সাবেক সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহ মারা গেছেন

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

জানুয়ারি ২৬, ২০২৫, ১২:০৬ পিএম

সাবেক সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহ মারা গেছেন

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল বীর উত্তম কে এম সফিউল্লাহ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৯টায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

কে এম সফিউল্লাহর ব্যক্তিগত সহকারী জিয়াউর রহমান মনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, মরহুমের প্রথম জানাজা বাদ জোহর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কাজী আবদুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এবং দ্বিতীয় জানাজা বাদ আসর ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কে এম সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড, ফ্যাটি লিভারসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। তিনি স্ট্রেচারে চলাফেরা করতেন।

সাবেক এই সেনাপ্রধানের জন্ম ১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে। ১৯৭১ সালে সফিউল্লাহ ছিলেন জয়দেবপুরে দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় প্রধান। তার নেতৃত্বেই ওই রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যরা বিদ্রোহ করেন।

স্বাধীনতা-পরবর্তী ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। পরে মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন ও ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

১৯৯১ সালে দেশে ফিরলে তাকে এক বছর ওএসডি করে রাখা হয়। পরের বছর তিনি স্বেচ্ছায় অবসরে যান। ১৯৯৫ সালে আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং ১৯৯৬ সালে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে নারায়ণগঞ্জ-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে প্রথম দিকে কে এম সফিউল্লাহ ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। পরে তিনটি নিয়মিত আর্মি ব্রিগেড (ফোর্স নামে পরিচিত) গঠিত হলে ‘এস’ ফোর্সের নেতৃত্বে আসেন। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাব পান।

মুক্তিযুদ্ধের জীবিত সেক্টর কমান্ডাদের নিয়ে ২০০৭ সালে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম গঠিত হলে সফিউল্লাহ ছিলেন সংগঠনের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। পরে তিনি এ সংগঠনের চেয়ারম্যান হন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল সেনাসদস্যের হাতে যখন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে হত্যার শিকার হন, সফিউল্লাহ তখন সেনাপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের প্রতি আনুগত্যও প্রকাশ করেছিলেন কে এম সফিউল্লাহ। যদিও এর কয়েকদিন পরই তাকে সেনাপ্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

বিআরইউ

Link copied!