ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
বোনারপাড়া ডিজিটাল হাসপাতাল

লাইসেন্স ‘মেয়াদহীন’ অভিযুক্ত হাসপাতালে চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:

জানুয়ারি ২৮, ২০২৫, ০৩:২৯ পিএম

লাইসেন্স ‘মেয়াদহীন’ অভিযুক্ত হাসপাতালে চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ডিজিটাল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে জেলা সিভিল সার্জন ডা. কানিজ সাবিহার নির্দেশনার পরও রহস্যজনকভাবে প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, প্যাথলজি রিপোর্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের স্বাক্ষরের অভাব, রশিদবিহীন টাকা গ্রহণ এবং অপরিচ্ছন্ন পরিবেশসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ হয়নি বলে খবর পাওয়া গেছে।

২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এসব গুরুতর ত্রুটি চিহ্নিত হওয়ার পর জেলা সিভিল সার্জন ২১ অক্টোবর হাসপাতালটি বন্ধে চিঠি প্রদান করেন। তবে এ নির্দেশ অমান্য করে হাসপাতালটি সেবা কার্যক্রম চালু রাখে।

সম্প্রতি, গত ২৩ জানুয়ারি একটি জটিল সিজারের মাধ্যমে প্রসূতি মা এবং নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে এ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দায়ীদের বিচারের দাবিতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মানববন্ধন করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ জনগণ।

মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, হাসপাতালের ব্যানারে থাকা একটি নম্বরে সাড়া দেন সৌরভ নামের এক ব্যক্তি। তিনি স্বীকার করেন, লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করা হলেও তা সম্পন্ন হয়নি। বন্ধের নির্দেশ অমান্যের ব্যাপারে তিনি জানান, একটি চিঠির কথা শুনেছি, তবে তা ভুল ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজিয়া আফরিন জানান, প্রাথমিকভাবে অভিযান চালিয়ে এটি বন্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু আবার চালানোর প্রমাণ পেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসাহাক আলী জানান, ভুক্তভোগীর পরিবার কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে লাইসেন্স না থাকায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. কানিজ সাবিহা এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তাদের কাছে কার্যক্রম চালানোর বৈধ কাগজপত্র নেই। অচিরেই এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, অভিযোগ উঠেছে যে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কিছু মহলকে ম্যানেজ করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাসপাতালের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যক্রমের দিকে তাকিয়ে আছে স্থানীয় জনসাধারণ।

বিআরইউ

Link copied!