রাইসুল ইসলাম খোকন, সরিষাবাড়ী
আগস্ট ২৬, ২০২৫, ০৩:৫৭ পিএম
জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের কাওয়ামারা-বারইপটল গ্রামের প্রায় ৩ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা ৩৭ বছর ধরে বেহাল দশায় পড়ে ছিল।
১৯৮৮ সালের বন্যার সময় রাস্তার একশ মিটার অংশ ভেঙে গর্তে পরিণত হয়, যা আজও সংস্কারের অপেক্ষায় ছিল।
গ্রামবাসীর দৈনন্দিন চলাচলে চরম ভোগান্তি তৈরি করছিল এই ভাঙা রাস্তা। বছরের পর বছর স্থানীয় জনপ্রতিনিধির কাছে সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ হয়নি।
শেষে এলাকার এনসিপি নেতা ও সরিষাবাড়ী উপজেলার যুগ্ম-সমন্বয়ক ডা. মোশাররফ হোসেন মিলনের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ভাঙা রাস্তার উপর সেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। সাঁকোটি ব্যবহার করে গ্রামের ২–৩ হাজার মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন।
স্থানীয়রা সাঁকোর জন্য ডা. মিলনের উদ্যোগকে প্রশংসা করেছেন।
তারা জানিয়েছেন, “অনেকবার চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের জানালেও রাস্তা ঠিক হয়নি। বর্ষায় চলাচল কঠিন হয়ে যেত। এখন বাঁশের সাঁকো থাকার কারণে নিরাপদে চলাচল করতে পারছি। তবে আমরা চাই পুরো রাস্তা দ্রুত স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হোক।”
ডা. মিলন জানান, “এলাকাবাসীর দুর্ভোগ কমাতে নিজ অর্থায়নে সেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। তবে পুরো রাস্তাটিই এখনও বেহাল।”
পিংনা ইউপি সচিব মোমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, “আগামী প্রকল্পে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে রাস্তাটির সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।”
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শওকত জামিল জানিয়েছেন, “রাস্তার বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক আবেদন আসেনি। আবেদন পেলে পরবর্তীতে কাজ করা হবে।”
ইএইচ