ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

পাঁচবিবি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই গাইনি বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

আলী হাসান, জয়পুরহাট

আলী হাসান, জয়পুরহাট

আগস্ট ৩০, ২০২৫, ০৮:৫৭ পিএম

পাঁচবিবি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই গাইনি বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও কর্মচারী সংকটে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। একসময় চিকিৎসা সেবা ও ব্যবস্থাপনায় দেশসেরা স্বীকৃতি পাওয়া এ প্রতিষ্ঠান বর্তমানে জনবল সংকটে চরম চাপে রয়েছে। ফলে স্থানীয়রা কাম্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তবে প্রতিকূলতা সত্ত্বেও রোগীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তরুণ কুমার পাল।

পাঁচবিবি উপজেলা শহর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে মহিপুরে ১১ একর ১৬ শতক জায়গাজুড়ে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অবস্থিত। এখানে মোট ২০৭টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ১৩১ জন। শূন্যপদের সংখ্যা ৭৩। এর মধ্যে সিনিয়র, জুনিয়র ডাক্তার ও কনসালটেন্ট পদে অনুমোদিত ২৮ জনের বিপরীতে আছেন মাত্র ১১ জন।

নার্স ও মিডওয়াইফ ৩৯ জন, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর ১১০ জনের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৫২ জন এবং সিএইচপি ৩০টির মধ্যে ২৯টি পদে কর্মরত আছেন।

এখানে ডা. রেজোয়ানা শারমিন নামে একজন জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনি) যোগদান করলেও বর্তমানে তিনি ডেপুটেশনে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। ফলে গাইনি চিকিৎসকের পদটি কেবল খাতায়-কলমেই সীমাবদ্ধ।

এ কারণে প্রতিদিনই গর্ভবতীসহ নারী রোগীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। হাসপাতালে সিজারের সুযোগ থাকলেও গাইনি বিশেষজ্ঞ না থাকায় প্রতিদিন গড়ে ১০ জন রোগীকে জেলা সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হচ্ছে। এ বিষয়ে অনেকে মন্তব্য করেছেন—“কাজীর গরু কেতাবে আছে, গোয়ালে নেই।”

ডা. রেজোয়ানা শারমিন বলেন, “আমার কর্তৃপক্ষ যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন আমি সেভাবেই কাজ করছি।”

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তরুণ কুমার পাল জানান, প্রতিদিন আউটডোরে ৩০০ থেকে ৪০০ রোগী চিকিৎসা নেন। এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রায়ই ৫০ শয্যার বিপরীতে ৭০/৮০ জন এমনকি কখনও শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন। স্বল্প সংখ্যক ডাক্তার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করায় অনেক সময় তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, “বহু সীমাবদ্ধতার মাঝেও আমরা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। চিকিৎসক সংকটের কারণে প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি আমাকেও নিয়মিত ওয়ার্ডে গিয়ে রোগী দেখতে হয়। যন্ত্রপাতি থাকলেও জনবল সংকটে আলট্রাসাউন্ডসহ বিভিন্ন পরীক্ষা সবসময় চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। একমাত্র ইসিজি পরীক্ষা নিয়মিত চালু আছে। রিএজেন্ট ও এক্সরে ফিল্ম সংকটও রয়েছে।”

তিনি জানান, চিকিৎসক ও কর্মচারী সংকটের বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

ইএইচ

Link copied!