কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৫, ০৫:২৬ পিএম
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আওতাধীন কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপির নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে জীবনবৃত্তান্ত জমা কর্মসূচিতে বিপুল সাড়া পড়েছে।
বিভিন্ন পদে মোট ১৫০ জন নেতাকর্মী আবেদন জমা দিয়েছেন।
এ তথ্য গত সোমবার (২৫ আগস্ট) দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া ও সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
জীবনবৃত্তান্ত জমা কর্মসূচি প্রথম ধাপে শুরু হয়েছিল ৭ জুলাই, পরে নেতাকর্মীদের আগ্রহের কারণে দ্বিতীয় ধাপ ১১ থেকে ১৪ জুলাই এবং শেষ পর্যন্ত ১৫ থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়।
তিন দফা শেষে বিপুলসংখ্যক আবেদনপত্র জমা পড়ায় কর্ণফুলী উপজেলা বিএনপিতে কার্যত নেতৃত্বের দৌড় শুরু হয়েছে।
উপজেলায় ১১টি পদে আবেদন জমা পড়েছে, যার মধ্যে শীর্ষ দুই পদ আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের জন্য যথাক্রমে ৭ ও ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আহ্বায়ক পদে ৭ প্রার্থী
এস এম মামুন মিয়া, আলহাজ্ব আলী আব্বাস, আইনজীবী এস এম ফোরকান, গিয়াস উদ্দীন ফারুকী, মো. হারুন অর রশীদ, মির্জা মো. বাহার উদ্দীন ও মোহাম্মদ ইসমাইল।
সদস্য সচিব পদে ১৮ প্রার্থী
হাজী মোহাম্মদ ওসমান, মুহাম্মদ ছালেহ জহুর, জিএম জসিম, আলহাজ্ব এম মঈন উদ্দিন, মো. মেহেরুব হোসাইন খান, এম কে এস মান্না, আলহাজ্ব এম. নিজাম উদ্দিন, জমির উদ্দিন, মো. জসিম উদ্দিন, মুহাম্মদ ইয়াছিন হাসান, মো. ফারুক, মোহাম্মদ ইব্রাহীম তালুকদার, মো. নুরুল আবছার, তৈয়বুল আলম, আশফাক উদ্দিন হিরু, মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, মোহাম্মদ ইব্রাহীম ও মুহাম্মদ মনোয়ার হোসাইন।
সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে ৬ প্রার্থী
মো. সোলায়মান, এইচ এম হারুন অর রশিদ (লাল গোলাপ), মোহাম্মদ হাশেম, মো. ইদ্রিস হায়দার, মো. ইলিয়াছ ও আবদুল গফুর।
যুগ্ম আহ্বায়ক পদে ৫১ প্রার্থী, যুগ্ম সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, যুগ্ম সচিব, মহিলা সচিব, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও সিনিয়র সদস্য পদে প্রার্থী রয়েছেন।
সদস্য পদে আবেদনকারী ৬২ জন।
বিএনপির সিনিয়র নেতারা জানিয়েছেন, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তৃণমূল নেতারা যোগ করেছেন, দুঃসময়ে হাল ধরা এবং দীর্ঘদিন মামলা-হামলা সহ্য করে রাজনীতিতে সক্রিয় নেতাদেরও মূল্যায়ন করা উচিত।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৯ মে পটিয়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নকে আলাদা করে কর্ণফুলী উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। এটি বাংলাদেশের ৪৯০তম উপজেলা এবং চট্টগ্রাম শহরের সন্নিকটে হওয়ায় রাজনৈতিকভাবে গুরুত্ববহ। বর্তমানে পদপ্রাপ্তির জন্য নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি হতাশাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ইএইচ