ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরোধ, মায়ের লাশ দাফনে বাধা

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

অক্টোবর ৯, ২০২৫, ০৪:৫৫ পিএম

সম্পত্তি নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরোধ, মায়ের লাশ দাফনে বাধা

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় দুই ছেলের সম্পত্তির বিরোধকে কেন্দ্র করে মায়ের লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এ অমানবিক ঘটনার ২০ ঘণ্টা পর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেমের হস্তক্ষেপে দাফন সম্পন্ন হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের শাহজাদপুর এলাকার ইনু মিয়ার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। 

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহজাদপুর এলাকার মৃত মাওলানা সেলামত উল্ল্যাহর স্ত্রী আমেনা বেগম (৬৫) বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ এলাকায় তার মেয়ের বাড়ীতে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর তার লাশ স্বামীর কবরের পাশে দাফনের জন্য নিজ বাড়ী শাহজাদপুর গ্রামে ইনু মিয়ার বাড়ীতে নিয়ে আসে। এসময় তার দু’ছেলে নজিব উল্ল্যাহ ও সাইফুল্লার মধ্যে সম্পত্তির ভাগ নিয়ে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে মারামারি সৃষ্টি হয় এবং মায়ের লাশ দাফনে বাধা প্রদান করে। 

এ ঘটনায় এলাকার সমাজের লোকজন তাদেরকে দাফন সম্পন্ন করতে অনুরোধ করেও ব্যর্থ হন। পরে সংবাদ পেয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেম ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’ছেলের মধ্যে সমঝোতা করে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় দাফন সম্পন্ন করেন।

স্থানীয় সমাজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মাওলানা বিল্লাহ জানান, নজিব উল্ল্যাহ ও সাইফুল্লার মধ্যে মায়ের সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। এ বিষয়ে সমাজে একাধিকবার বসে মীমাংসার চেষ্টা করেও কোনো সমাধান না হওয়ায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় আমাদের সমাজের সকলে মর্মাহত।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেম বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমি দুই পক্ষকে বুঝিয়ে সমঝোতায় এনে দুপুর ২টায় লাশ দাফনের ব্যবস্থা করেছি।”

ইএইচ

Link copied!