ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬
মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড পড়ে মৃত্যু

আবুল কালাম আজাদের দাফন সম্পন্ন, পরিবারে চলছে শোকের মাতম

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর

অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ০৩:৪৩ পিএম

আবুল কালাম আজাদের দাফন সম্পন্ন, পরিবারে চলছে শোকের মাতম

রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় রোববার দুপুরে মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ঈশ্বরকাঠী গ্রামের আবুল কালাম আজাদ (৩৬)। 

তার মরদেহ রাত ২টায় বাড়ি আনার পর এ হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। স্বজনদের কান্নায় আকাশ-পাতাল ভারি হয়ে ওঠে। কেউ যেন এ মৃত্যু মেনে নিতে পারছিলেন না। 

নিহত আবুল কালাম আজাদের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ীতে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে নড়িয়া উপজেলা শহরের পৌর কবরস্থানে, তার বাবার কবরের পাশেই। 

সকাল ৯টায় ঈশ্বরকাঠী গ্রামের মোক্তারের চর পূর্বপোড়াগাছা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

আত্মীয়স্বজন ও স্ত্রীর আহাজারিতে আকাশ-পাতাল ভারি হয়ে ওঠে। কেউ যেন চোখের পানি আটকে রাখতে পারেনি।

এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইমরুল হাসানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশাসনের লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগে থেকেই সেখানে হাজির ছিলেন। সকলেই যেন পরিবারের লোকজনকে শান্তনা দিতে নিজেও কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক কথায়, আবুল কালামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। স্বজনরা কেউ যেন মেনে নিতে পারছেন না এ অকাল মৃত্যুকে।

চার ভাইয়ের মধ্যে আবুল কালাম ছিলেন সবার ছোট। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন নারায়ণগঞ্জের পাঠানতলি এলাকায়। ঢাকায় তিনি একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি করতেন। তার আয়ের একটি অংশ গ্রামের বাড়িতে পাঠাতেন ভাইদের জন্য। 

রোববার বেলা ১২টার দিকে ব্যক্তিগত কাজে রাজধানী ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় যাওয়ার সময় মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে তার উপর পড়লে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এদিকে ঘটনার পর খবর পেয়ে উপদেষ্টা ফয়জুল কবীর ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের পরিবারকে ৫ লাখ টাকা সহায়তা এবং পরিবারের যোগ্য লোককে চাকুরি দেয়ার ঘোষণা দেন।

এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায্য বিচার চায় পরিবার। যাতে কারো দায়িত্বের অবহেলার কারণে আর যেন কারো জীবন অকালে চলে না যায়।

বড় ভাই খোকন চোকদার বলেন, “আমার উপার্জনক্ষম, নিরপরাধ ভাইটি যাদের দায়িত্বেও অবহেলার কারণে মর্মান্তিকভাবে মারা গেছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায় বিচার চাই।”

নড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাকি দাস বলেন, “এ দুর্ঘটনার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। নিহতের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। পাশাপাশি সরকারের উচ্চমহল এ বিষয়ে পরিবারের জন্য সকল ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা জেলা প্রশাসন থেকেও সার্বিক সহায়তা প্রদান করব।”

ইএইচ

Link copied!