ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

গুইমারায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জেলা পরিষদ: মানবিক সহায়তা পেল ১৪১ পরিবার

গুইমারা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

গুইমারা (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

নভেম্বর ১১, ২০২৫, ০৩:৩৭ পিএম

গুইমারায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জেলা পরিষদ: মানবিক সহায়তা পেল ১৪১ পরিবার

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার গুইমারা উপজেলার রামসু বাজার এলাকায় সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ। 

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় এককালীন মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে জেলা পরিষদ।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় গুইমারা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালীকা ত্রিপুরা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন১১ নভেম্বর, জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নোমান হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মারুফ, জেলা পরিষদ সদস্য কংজপ্রু মারা, সদস্য এডভোকেট মর্জিনা ঝুমা, গুইমারা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. এনামুল হক চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান উশ্যেপ্রু মারমা এবং মারমা ঐক্য পরিষদের সভাপতি অংগ্য মারমা।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালীকা ত্রিপুরা জানান, সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে শুরু থেকেই পরিষদ কাজ করছে। আহতদের চিকিৎসা সহায়তা, খাদ্য ও আর্থিক অনুদান প্রদানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসনেও সহযোগিতা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “সহিংসতায় আমরা অনেক কিছু হারিয়েছি মানুষের জীবন, সম্পদ ও সামাজিক সম্প্রীতি। তবে জেলা পরিষদ কখনো পিছিয়ে থাকবে না। আমাদের ভেদাভেদ ভুলে, ঐক্যবদ্ধভাবে এই পাহাড়ি জনপদে শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। আমাদের রক্ত এক, বর্ণ বা ধর্মে কোনো ভেদাভেদ নেই। সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে হবে। জেলা পরিষদ সবসময় জনগণের পাশে থাকবে।”

অনুষ্ঠানে নিহত তিন পরিবারের প্রত্যেককে ৩ লাখ টাকা প্রদান করা হয়, এছাড়া ১৪১ জন আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা এককালীন মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অনেকে জেলা পরিষদের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বলেন, “সহিংসতার পর এমন সহায়তা কিছুটা হলেও আমাদের কষ্ট লাঘব করেছে। আমরা চাই এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি ফিরে আসুক।” এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা চলমান রাখার দাবীও জানানো হয় অনুষ্ঠান থেকে।

তবে সহায়তা প্রদানের তালিকায় অর্থের অঙ্ক ঢাকা রাখায় সাংবাদিক ও ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

জেলা পরিষদ জনসংযোগ কর্মকর্তা চিংলামং মারমা এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান, “সবাইকে সমান পরিমাণ অর্থ দেওয়া হয়নি, তাই অঙ্কের ঘরটি ঢাকা রাখা হয়েছে। পরে আমরা তা পরিস্কার করবো।” তবে এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি সাংবাদিক ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসহ উপস্থিত গোয়েন্দা বিভাগের লোকজন।

তারা জানান, সহায়তার তালিকায় স্বচ্ছতা থাকা জরুরি, যাতে বিতরণের সঠিক তথ্য জনসাধারণ জানতে পারে।

অনুষ্ঠানের শেষাংশে বক্তারা বলেন, “সহিংসতার ঘটনাগুলো সমাজকে পিছিয়ে দেয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার মাধ্যমে পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।” 

জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন অতিথিরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা পরিষদের জনসংযোগ কর্মকর্তা চিংলামং মারমা।

ইএইচ

Link copied!