মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ০২:৫৬ পিএম
মানবসেবা মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখে পথচলা। দলীয় রাজনীতির বাইরে নিজেকে গুছিয়েছেন। ছেলেবেলা থেকে নিজ উদ্যোগে মানুষের কাছে মেশা ছিল নেশার মতো। পরিবার থেকে রাজনীতির ময়দান সবখানেই নিজের জানান দিয়েছেন জীবনের বাঁকে বাঁকে।
ছিলেন সময়ের অপেক্ষায়। সকল অপেক্ষার অবসান করে আগস্ট-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে সুযোগ আসে দলীয় রাজনীতি করার। সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে এনসিপি দলীয় মনোনয়ন নিয়ে গোপালগঞ্জ-০১ আসনকে সাজাতে চান মনের মতো। পারিবারিকভাবে সক্রিয় রাজনীতি না করলেও পিতার আদর্শে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন ছাত্রজীবন থেকেই। শিক্ষা জীবনের পাঠ চুকিয়ে সফলতা পেয়েছেন কর্মজীবনেও। সমাজে উঁচু-নিচু ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে শামিল হয়েছেন তারুণ্যনির্ভর এনসিপির ব্যানারে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছেন বিশিষ্ট ফ্যাশন ডিজাইনার ইশতিয়াক আজীম।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার অর্জুনদাহ গ্রামের ছেলে ইশতিয়াক আজীম দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক সনামধন্য প্রতিষ্ঠানে ১৮ বছর ধরে ফ্যাশন ডিজাইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি) থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করেন তিনি।
এছাড়া, ১৯৮৫ সালে সাধারণ ও অরাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া ইশতিয়াক আজীমের বাবা মেজর (অব.) কাতেব আলী শেখ এলাকায় সৎ ও ন্যায়পরায়ণ মানুষ হিসেবে পরিচিত। বাবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনিও সর্বদা মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন ছাত্রজীবন থেকেই।
গত জুন থেকে তারুণ্যনির্ভর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। বর্তমানে তিনি দলের গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে সংগঠন গোছানোর কাজে তিনি মুকসুদপুর থানার ১৭টি ইউনিয়ন ও কাশিয়ানী থানার ৭টি ইউনিয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বুধবার (১৩ নভেম্বর) তিনি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।
মনোনয়ন সংগ্রহের পর ইশতিয়াক আজীম তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, মানুষের কল্যাণে, এলাকার উন্নয়নের জন্য রাজনীতিতে এসেছি। সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে গোপালগঞ্জ-১ আসনের উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করাই লক্ষ্য। এলাকার সর্বসাধারণের দোয়া-সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
ইএইচ