ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সাজেকে দুই বছর পর আবারও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা সচল

মহুয়া জান্নাত মনি, রাঙামাটি

মহুয়া জান্নাত মনি, রাঙামাটি

নভেম্বর ১৯, ২০২৫, ০৬:১৪ পিএম

সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সাজেকে দুই বছর পর আবারও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা সচল

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৬ নং সাজেক ইউনিয়নের মাসালং বাজারে দুই বছর বন্ধ থাকা বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরায় চালু করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। 

বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে পরিত্যক্ত পানি পয়েন্টটি সংস্কার করে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বাঘাইহাট জোনের ভারপ্রাপ্ত জোন কমান্ডার মেজর এম এম জিল্লুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পানির সুবিধাটির সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়। এ উদ্যোগে দীর্ঘদিনের পানির সংকটে ভোগান্তিতে থাকা স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

"শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন” স্লোগানকে সামনে রেখে সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবিক সহায়তা এবং নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সেনাবাহিনীর এ মানবিক পদক্ষেপ স্থানীয় পাহাড়ি-বাঙালি জনগণ এবং সাজেকগামী পর্যটকদের মাঝে নতুন আস্থা তৈরি করেছে।

মাসালং বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অনন্ত ত্রিপুরা বলেন, "সুপেয় পানি সরবরাহ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষকে ভীষণ দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। সেনাবাহিনী এই ব্যবস্থা পুনরায় চালু করায় এখন স্থানীয় জনসাধারণ, ব্যবসায়ী ও দূরদূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের জন্য এটি বড় সুবিধা।"

স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরাও আনন্দ প্রকাশ করে জানান, "দুই বছর ধরে মাসালং বাজারে বিশুদ্ধ পানির অভাবে প্রচুর কষ্ট করেছি। আজ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সেই সমস্যা দূর হলো।"

ভারপ্রাপ্ত জোন কমান্ডার মেজর জিল্লুর রহমান বলেন, "মাসালং বাজার হয়ে ভুয়াছড়ি এলাকায় পরিদর্শনকালে সুপেয় পানির অভাব চোখে পড়ে। এ কারণে বাঘাইহাট জোনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বিশুদ্ধ পানি পাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও স্থায়ী শান্তিই সেনাবাহিনীর অঙ্গীকার; ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।"

ইএইচ

Link copied!