ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

শরীয়তপুরে পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫, ১২:৫০ পিএম

শরীয়তপুরে পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

শরীয়তপুরে পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে বখাটেদের দ্বারা শ্লীলতাহানিসহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এক শিক্ষার্থী। এ সময় তার সঙ্গে থাকা আরেক সহপাঠীকে আটকে রেখে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শরীয়তপুর শহরের বনবিভাগের কার্যালয়ের পাশে এই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি শরীয়তপুর সরকারী কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী (পরে পুলিশ এই পরিচয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে)। মঙ্গলবার বিকালে পরীক্ষা শেষে তিনি তাঁর ছেলে বন্ধুর সঙ্গে মনহর বাজার মাটি হাড়ির রেস্টুরেন্ট থেকে খাওয়া দাওয়া শেষ করে গাড়ির অপেক্ষায় হাঁটতে হাঁটতে বনবিভাগের কাছে আসেন। এ সময় কলেজ ছাত্র সজিব আহম্মেদ তাদের গতিরোধ করে।

ভুক্তভোগী ছেলে শিক্ষার্থী জানান, প্রথমে দুই বখাটে এসে তাদের নাম ও বাড়ির ঠিকানা জিজ্ঞেস করে। একপর্যায়ে তাদের জোরপূর্বক বনবিভাগের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। মারধর করে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। এরপর সজিব আহম্মেদকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয় এবং ওই ছাত্রীকে ঝোপের দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযোগ উঠেছে, ৮ থেকে ১০ জন বখাটে যুবক ওই ছাত্রীর অভিভাবকের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে দীর্ঘ দুই ঘণ্টা আটকে রেখে শ্লীলতাহানিসহ ধর্ষণের চেষ্টা করে। ছাত্রী নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করলে তাঁকে নির্যাতন ও মারধর করা হয়।

ওই সময় স্থানীয় দুই যুবক পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্রী তাদের কাছে গিয়ে বিষয়টি খুলে বললে তারা পালং মডেল থানায় অবহিত করেন। থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্যাতিতা ছাত্রী ও তাঁর সহপাঠীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

ভুক্তভোগী ছাত্রী অভিযোগ করেন, বনবিভাগের সামনে থেকে প্রায় ১০ জন মিলে তাকে ও তার বন্ধুকে টেনে-হেঁচড়ে ভিতরে নিয়ে যায়। তাকে নির্যাতন ও মারধর করে এবং জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তিনি বাঁচার জন্য ডাকচিৎকার করলেও বনবিভাগের ভিতরে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পাশে থাকা দুই নারী তাঁদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসেননি।

ঘটনার পর প্রথম তাদের দেখা স্থানীয় যুবক শাহাবুদ্দিন জানান, তিনি বাসায় ফেরার পথে দেখেন ৫/৬ জন বখাটে একটি মেয়ের সঙ্গে বসে আছে। মেয়েটি তাঁর কাছে গিয়ে পা পেঁচিয়ে ধরে বাঁচার আকুতি জানায়। তিনি জানতে পারেন, ১০ থেকে ১২ জন মিলে নির্যাতনসহ ধর্ষণের চেষ্টা করছিল। পরে তিনি পুলিশকে ফোন করেন। আরেক স্থানীয় যুবক সৈয়দ রাব্বি জানান, তিনি মেয়েটিকে দ্রুত একটি দোকানে নিয়ে বসান এবং পরে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিনি দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক খন্দকার রাশেদ আহম্মেদ বলেন, মেয়েটি আমাদের কাছে জানিয়েছে তাকে শারীরিকভাবে মারধর ও যৌন নিপীড়ন করা হয়েছিল। আমাদের নারী চিকিৎসক আসার পর তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম জানান, মেয়েটি রাতে শরীয়তপুর সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিলেও সকালে বলছে অন্য কথা। আসলে সে শরীয়তপুর সরকারী কলেজের ছাত্রী না। তার বাড়ির ঠিকানাও ভুল দিয়েছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি এবং অপরাধীদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।

জেএইচআর

Link copied!