ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

প্রেমিককে ফোনে ডেকে এনে খুন, স্বামী-স্ত্রীর পরিকল্পনায় দুদিন খাটের নিচে লাশ

নাজমুল হাসান (নরসিংদী), মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদক

নাজমুল হাসান (নরসিংদী), মাল্টিমিডিয়া প্রতিবেদক

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৮:২৯ পিএম

প্রেমিককে ফোনে ডেকে এনে খুন, স্বামী-স্ত্রীর পরিকল্পনায় দুদিন খাটের নিচে লাশ

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় এক তরুণকে ডেকে এনে নৃশংসভাবে হত্যার পর লাশ খাটের নিচে লুকিয়ে রেখে পরে পুকুরপাড়ে ফেলে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। 

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া এক নারীর আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বেরিয়ে এসেছে হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ বিস্তারিত।

শুক্রবার পলাশ উপজেলার একটি পুকুরপাড় থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় এক অজ্ঞাতপরিচয় তরুণের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তে জানা যায়, নিহত ব্যক্তি হলেন নয়ন চন্দ্র মজুমদার (২৮)। তার বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার উত্তর মগধরা গ্রামে। তিনি নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন এবং পাশের ঘাগড়া গ্রামে নিজের সেলুনে কাজ করতেন।

পুলিশ জানায়, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ফারজানা আক্তার মিথিলা (২৪) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি পলাশের ঘোড়াশাল পৌর এলাকার দক্ষিণ মিয়াপাড়া গ্রামের মৃত সোহেল মিয়ার মেয়ে। ফারজানার স্বামী ফয়সাল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকলেও এখনো পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে ফারজানা স্বীকার করেন, নিহত নয়নের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে অন্যত্র বিয়ে হলেও নয়নের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্বামী ফয়সালের সঙ্গে প্রায়ই তাঁদের দাম্পত্য কলহ হতো। একপর্যায়ে স্বামী-স্ত্রী মিলে নয়নকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।

জবানবন্দি অনুযায়ী, গত ৯ ডিসেম্বর রাতে ‘স্বামী বাড়িতে নেই’—এই কথা বলে ফারজানা ফোন করে নয়নকে বাসায় ডেকে নেন। নয়ন সেখানে গেলে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে রুটি বানানোর বেলুন দিয়ে নয়নের মাথায় একাধিক আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই নয়নের মৃত্যু হয়।

হত্যার পর নয়নের হাত-পা বেঁধে কাঁথায় মুড়িয়ে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে তাঁরা দুদিন খাটের নিচে লাশ লুকিয়ে রাখেন। পরে বৃহস্পতিবার রাতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে লাশসহ বস্তা নিয়ে জিনারদী ইউনিয়নের কাটাবের এলাকার সড়কসংলগ্ন একটি পুকুরপাড়ে ফেলে যান।

পরদিন শুক্রবার দুপুরে ওই পুকুরপাড় থেকে বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পিবিআইয়ের সহায়তায় পরিচয় শনাক্তের পর নিহতের মা ঝর্ণা রানী মজুমদার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ ফারজানাকে গ্রেপ্তার করে।

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, “ফারজানা আক্তার মিথিলা আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। হত্যাকাণ্ডে জড়িত তার স্বামী ফয়সাল পলাতক রয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।”

ইএইচ

Link copied!