ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

কর্ণফুলীতে অবৈধ জাল তৈরির কারখানায় অভিযান, ভারতীয় কারিগরসহ গ্রেপ্তার ৭

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম

কর্ণফুলীতে অবৈধ জাল তৈরির কারখানায় অভিযান, ভারতীয় কারিগরসহ গ্রেপ্তার ৭

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় নিষিদ্ধ ট্রলিং জাল ও সরঞ্জাম তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে এক ভারতীয় নাগরিকসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। অভিযানে প্রায় ৩৬ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ ট্রলিং জাল ও জাল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যায় কর্ণফুলী থানাধীন চর পাথরঘাটা সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে কারখানাটি তল্লাশি করে ১২টি নিষিদ্ধ ট্রলিং জালসহ বিপুল পরিমাণ জাল তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ভারতীয় নাগরিক পণ্ডিত বিশ্বাস (৩৯) ট্রলিং জাল তৈরির মূল কারিগর বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড। তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বাসিন্দা। অপর ছয়জন বাংলাদেশি নাগরিক, যারা জাল তৈরির কাজে যুক্ত ছিলেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পণ্ডিত বিশ্বাস জানান, তিনি বাংলাদেশে অবস্থানকালে বিভিন্ন এলাকায় ফিশিং বোটে নিষিদ্ধ আর্টিসানাল ট্রলিং সরঞ্জাম স্থাপন ও ট্রলিং জাল তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সর্বশেষ তিনি ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এর আগেও তিনি ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে একাধিকবার বাংলাদেশে এসে বরগুনার পাথরঘাটা ও চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকায় একই ধরনের কাজে যুক্ত ছিলেন বলে স্বীকার করেন।

কোস্ট গার্ড আরও জানায়, ২০২৫ সালের ১২ আগস্ট কোস্ট গার্ড ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে পণ্ডিত বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। জামিনে মুক্তির পর তিনি পুনরায় অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।

কোস্ট গার্ডের মতে, কিছু অসাধু মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার আশায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কাঠের ফিশিং বোটে ট্রলিং সরঞ্জাম ও ছোট ফাঁসের জাল ব্যবহার করছে। এতে সাগরের মাছের রেণু, ডিমওয়ালা মা মাছ ও প্রাকৃতিক খাদ্য ধ্বংস হয়ে মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

জব্দকৃত মালামাল ও গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

ইএইচ

Link copied!