দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি
জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ০১:৫০ পিএম
পুঠিয়া-দুর্গাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-৫ আসন। আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ১৭৩ জন। যার অর্ধেকই নারী ভোটার।
আসনটিতে মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মনজুর রহমান, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির একতারা প্রতীকের প্রার্থী আলতাফ হোসেন মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. রুহুল আমিন, ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইফসা খায়রুল হক, মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র মো. রায়হান কাওসার এবং ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র রেজাউল করিম।
বিএনপির দলীয় মনোনীত প্রার্থী প্রবীণ নেতা নজরুল ইসলাম মণ্ডল হলেও তার মনোনয়নের বিরুদ্ধে রাস্তায় বিক্ষোভ করেছেন মনোনয়নপ্রত্যাশী আবু বকর সিদ্দিক, ইশফা খায়রুল হক ও নাঈম মোস্তফার অনুসারীরা।
এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রায়হান কাওছার ছাড়াও বিএনপির বিদ্রোহীদের মধ্য থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন মো. ইসফা খায়রুল হক ও রেজাউল করিম, যা জামায়াতের প্রার্থী মনজুর রহমানের জন্য সুবিধা তৈরি করে দিয়েছে। বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের কোন্দল, সমন্বয়হীনতা ও দ্বন্দ্ব দলটিকে কিছুটা পিছিয়ে দিয়েছে।
আসনটির বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, দলের বাইরে কারো কোনো ব্যক্তিগত ভোট ব্যাংক নাই। দল থেকে যাচাই-বাছাই করেই প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। জনগণই বিএনপির ও ধানের শীষের শক্তি, এখন আমার জনগণই তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে ধানের শীষের জয় নিশ্চিত করবে ইনশাআল্লাহ।
জামায়াতের প্রার্থী মনজুর রহমান বলেন, জনগণ পরিবর্তন চায়, আমরা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে সক্ষম হব।
ইএইচ