ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ, সত্যতা পায়নি পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট

মামুন সরকার, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল)

মামুন সরকার, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল)

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম

ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ, সত্যতা পায়নি পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণায় টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের ভূঞাপুরের অর্জুনা এলাকায় ভোটারদেরকে নগদ টাকা বিতরণ করছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ভিডিওতে দেখা যায়, পাঁচ শ ও এক হাজার টাকার নোট হাতে নিয়ে জামায়াতের নেতা টাকা দিয়েছে বলে তার পিছে পিছে মিছিল করছে। গত ২৮ জানুয়ারি ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা ও আলোচনার ঝড়।

পরে বিষয়টি নজরে এলে সরজমিনে ঘটনাস্থলে যান নির্বাচনী আচরণবিধি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাজিব হোসেন এবং থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাব্বির রহমানসহ পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। আওয়ামী লীগের কিছু চিহ্নিত লোকজন জামায়াতের সাথে যুক্ত হয়ে ফ্যাসিবাদী কায়দায় নির্বাচনী প্রচারণায় কাজ করছে। ফ্যাসিবাদীরা বিগত দিনে টাকা-পয়সা দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা করেছে। সেই কায়দায় তারা এখনও জামায়াতের সাথে যুক্ত হয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে।’

ওই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে ভোটারদেরকে নগদ টাকা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। যেটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। ভিডিওতে দেখা গেছে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা নিজের পকেট থেকে টাকা বের করে তাদের সমর্থকদের হাতে দিচ্ছে আর বলছে জামায়াতের লোকেরা টাকা দিয়ে ভোট চাচ্ছে। তাদের কাছে এটি আমরা কখনো কাম্য করিনি। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না। নির্বাচনী প্রচারণায় আর যেন বাধা সৃষ্টি না হয় তার জন্য আমরা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’

ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. সাব্বির রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামী যে টাকা দিয়েছে আমরা সরজমিনে গিয়ে তার কোনো সত্যতা পাইনি।

এ বিষয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি ম্যাজিস্ট্রেট ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাজিব হোসেন বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলেছি। সেখানে গিয়ে ভোটারদের সাথে কথা বলে টাকা লেনদেনের কোনো প্রমাণ পাইনি। তবে দুই পক্ষের ধস্তাধস্তি হয়েছে সেই বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি।’

ইএইচ

Link copied!