গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় এক বিধবা নারীর কৃষি জমির রসুনের খেত কেটে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি গুরুদাসপুর থানায় ৩০ জানুয়ারি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগকারী মোসা. আছা খাতুন (৪০) উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মৃত এমদাদুল হকের স্ত্রী।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার স্বামীর সম্পত্তির অংশ হিসেবে প্রাপ্ত কৃষি জমিতে তিনি রসুন চাষ করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ভাগীদার শরিকদের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, তার রসুনের খেত কে বা কারা কেটে নষ্ট করে দিয়েছে। এতে তার অনেক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। আশপাশের অন্যান্য কৃষকদের জমির ফসল অক্ষত থাকলেও কেবল তার জমির ফসল নষ্ট করা হয়।
২৯ জানুয়ারি বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি জমিতে গিয়ে দেখেন, তার রসুনের খেত কেটে ক্ষতি করা হয়েছে।
অভিযোগে তিনি দাবি করেন, এটি পরিকল্পিতভাবে তাকে জমি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা। অভিযোগে আরও বলা হয়, পুত্র সন্তান না থাকায় আইন অনুযায়ী তার অংশ বুঝে পাওয়ার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট ভাগীদাররা তার জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না। বরং বিভিন্ন সময় তাকে চাষাবাদে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
এমনকি জমি বুঝিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার বসতভিটার আঙিনার গাছপালা বিক্রি করে খরচের কথা বলে টাকা নেওয়া হলেও আজ পর্যন্ত জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী বিধবা নারী দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার ন্যায্য জমির অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ইতিপূর্বেও তার কৃষি জমিতে শরিকরা বাধা দিয়ে কৃষি ফসল নষ্ট করেছিলেন। গ্রামের প্রধানবর্গদের অবগত করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। তাতে কোনো ফল পাননি এ অসহায় বিধবা নারী।
এ বিষয়ে ভাগীদার শরিক (ভাসুর) মো. মোসলেম উদ্দিন (অব. আর্মি) বলেন, কোনো কিছু না জেনেই তার ভাতিজি তানিয়া মোবাইলে দোষারোপ করছে। কারা এমনটি করল তা তার জানা নেই।
এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুজ্জামান সরকার জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইএইচ