ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

খাগড়াছড়িতে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস, মাঠে এগিয়ে বিএনপি

জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল

জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম

খাগড়াছড়িতে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস, মাঠে এগিয়ে বিএনপি

ভৌগোলিক ও জাতিগত বৈচিত্র্যের কারণে খাগড়াছড়ি ২৯৮ নম্বর আসনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাহাড়ে এখন প্রচার-প্রচারণার উৎসব চলছে। এ আসনে এবার ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মাঠের লড়াই মূলত হতে যাচ্ছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এক প্রভাবশালী স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে। তবে মাঠের সমীকরণে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি।

আসনটি পুনরুদ্ধারে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে দিনরাত প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদে তাঁর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে ভোটারদের আকৃষ্ট করছেন নেতা-কর্মীরা।

তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির বিশাল ভোটব্যাংক ও ওয়াদুদ ভূইয়ার ব্যক্তিগত পরিচিতি এ নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলছে। তিনি শান্তি, সম্প্রীতি ও পাহাড়ী-বাঙালিদের মধ্যে বৈষম্য দূর করে একটি মডেল জেলা গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছেন ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্ম জ্যোতি চাকমা। পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন ইউপিডিএফের সমর্থন নিয়ে তিনি পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও পার্বত্য চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের কথা বলছেন। 

দিঘীনালা উপজেলার সাবেক এ চেয়ারম্যান পাহাড়ী নারীদের জন্য কুটির শিল্পের প্রসার ও দুর্গম এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। আঞ্চলিক ভোটের একটি বড় অংশ তাঁর দিকে থাকায় তিনি প্রধান দুই দলের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

অন্যদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী জামায়াতের সুসংগঠিত ভোটব্যাংক ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে পুঁজি করে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তিনি দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গঠন এবং নারীদের পর্দার মধ্যে রেখে কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার অঙ্গীকার করছেন। পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে তাঁর প্রচারণা মুসলিম ভোটারদের একটি নির্দিষ্ট অংশকে আকৃষ্ট করছে।

খাগড়াছড়ির ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ জন ভোটার এবার বিচার-বিশ্লেষণ করে ভোট দিতে চান। বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর খাগড়াছড়ি গড়ার কারিগরদের দিকে ঝুঁকছেন। 

সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা, যিনি পাহাড়ের ভূমি সমস্যা সমাধান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কাজ করবেন, তাঁকে তাঁরা বেছে নেবেন।

নির্বাচন কমিশন ও প্রতীক বরাদ্দের তথ্য অনুযায়ী, এ আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মিথিলা রোয়াজা (জাতীয় পার্টি), সমীরণ দেওয়ান (স্বতন্ত্র) ও জিরুনা ত্রিপুরা (স্বতন্ত্র)। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন, ইনসানিয়াত বিপ্লব ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীরাও মাঠে রয়েছেন।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাত জানান, নির্বাচন উপলক্ষে পুরো জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ের কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট পেপার পাঠানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

ইএইচ

Link copied!