ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ভোট এলেই ‘প্রার্থী’ হন দুদু জোদ্দার

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

ভোট এলেই ‘প্রার্থী’ হন দুদু জোদ্দার

নির্বাচন এলেই কুড়িগ্রামের চিলমারীতে একটি নাম নিয়মিত আলোচনায় আসে, তিনি দুদু জোদ্দার। প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকলেও পোস্টার ও প্রচারণায় কোনো ঘাটতি নেই তার। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) আসনে নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী দাবি করে ‘কুলা’ প্রতীকে ভোট চেয়ে পোস্টার সেঁটেছেন ও প্রচারণা চালাচ্ছেন দুদু জোদ্দার। এতে ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের চিলমারীর মাটিকাটি মোড়, চিলমারী ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও জোড়গাছ ঘাটের দেয়ালে দেয়ালে তাঁর পোস্টার ঝুলছে। পোস্টারে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কুলা মার্কায় ভোট চেয়ে এলাকার উন্নয়নের অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

চিলমারী উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, এ আসনে মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের বৈধ ঘোষণা করেন। আদালতের আদেশে একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হলেও বৈধ তালিকায় দুদু জোদ্দারের নাম নেই। অথচ নির্বাচনী মাঠে তাঁর পোস্টার চোখে পড়ছে।

দুদু জোদ্দার চিলমারী ইউনিয়নের কড়াইবরিশাল নতুন আশ্রয়ণ কেন্দ্র এলাকার ধনীয়া জোদ্দারের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, এর আগে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে ‘হেলিকপ্টার’ প্রতীকে প্রার্থী দাবি করে পোস্টার ও মাইকিং করেছিলেন তিনি। সর্বশেষ ইউপি ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও একই কাণ্ড ঘটিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেন।

আলম মিয়া নামের এক ভোটার বলেন, ‘দুদু ভাইকে তো প্রতি নির্বাচনেই দেখি। ভোটের আগে দেয়ালে পোস্টার টাঙান, মাইকিং করেন। পরে শুনি উনি প্রার্থীই নন।’ আরেক ভোটার আব্দুল বাতেন বলেন, দুদু জোদ্দার বারবার প্রার্থী না হয়েও মাঠে ঘুরে ও প্রচার চালিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করছেন।

পোস্টার সেঁটানোর বিষয়ে জানতে চাইলে দুদু জোদ্দার বলেন, ‘আমি মনোনয়ন ফরম কিনে জমা দিয়েছি। আমি বৈধ প্রার্থী।’ তবে কোন প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন বা তালিকায় নাম কোথায়, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলতে পারেননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সবুজ কুমার বসাক বলেন, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
িইএইচ

Link copied!