মো. আব্দুস সালাম, গুরুদাসপুর (নাটোর)
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০১:৪৯ পিএম
আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর ও বড়াইগ্রাম) আসন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি ও ভোটারদের অবস্থান বিশ্লেষণে এ আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল আজিজ গুরুদাসপুর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল হাকিম বড়াইগ্রাম উপজেলার বাসিন্দা। তিনি বনপাড়া পৌরসভার কাউন্সিলর ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। আব্দুল আজিজ ও আব্দুল হাকিম উভয় প্রার্থীই নিজ নিজ এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় লড়াই জমার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, নাটোর-৪ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৪২ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে বড়াইগ্রাম উপজেলায় ভোটার ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭২ জন এবং গুরুদাসপুরে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯২৬ জন। গুরুদাসপুরের তুলনায় বড়াইগ্রামে ৬৪ হাজার ৪৪৬ জন ভোটার বেশি।
বিশ্লেষকদের মতে, নারী ভোটারদের বড় উপস্থিতি এ আসনের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ আসনে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী এম ইউসুফ আহমদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. এমদাদুল্লাহ এবং এবি পার্টির ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মো. মোকছেদুল মোমিনও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মূল আলোচনা ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লা নিয়েই।
গুরুদাসপুর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. আমজাদ হোসেন ও বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মো. শামসুল আলম রনি বলেন, এ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত হবে।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর গুরুদাসপুর উপজেলা নেতা আব্দুল খালেক মোল্লা ও বড়াইগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. আবু বক্কার সিদ্দিক বলেন, দাড়িপাল্লার পক্ষে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।
প্রচারণার শেষ পর্যায়ে সোমবার সন্ধ্যায় দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লার সমর্থকদের উৎসবমুখর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। উভয় পক্ষই জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।
ইএইচ