ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

কিশোরগঞ্জের পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন

রায়হান জামান, কিশোরগঞ্জ

রায়হান জামান, কিশোরগঞ্জ

মার্চ ৮, ২০২৬, ১২:২৬ পিএম

কিশোরগঞ্জের পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়। এই যুদ্ধ অস্থির করে তুলেছে জ্বালানি তেলের বিশ্ববাজার। সাশ্রয়ের জন্য দিনে কেনার সীমা বেঁধে দিয়েছে সরকার। এ অবস্থায় উৎকণ্ঠার মধ্যে কিশোরগঞ্জের ফিলিং স্টেশনগুলোতে জমছে মোটরসাইকেলের সারি। অপেক্ষার এই মিছিলে ক্ষোভ যেমন আছে তেমনি রয়েছে চাহিদামতো তেল না পাওয়ার অসন্তোষও। তবে তেলের সংকট এখনও তৈরি হয়নি জেলায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন স্থানের ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল নিতে ভিড় করেছেন মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও অন্যান্য যানবাহনের চালকরা। আজ সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কোনও স্টেশনে প্রত্যাশা অনুযায়ী তেল পাননি। অনেকে অভিযোগ করেছেন চাহিদামতো তেল না পাওয়ায় কর্মস্থলে যাতায়াতসহ দৈনন্দিন চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাদের।

মোটরসাইকেলচালক হারিছ আহমেদ বলেন, আমরা কর্মীজীবী মানুষ। বাসা থেকে অফিসে যেতে হয় মোটর বাইকে। তেলের সংকটের কারণে পাম্পগুলো ২০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না। এতে আমাদের যাতায়াতে খুব সমস্যা হচ্ছে। তেল শেষ হওয়ার আগে আরেক পাম্পে গিয়ে তেল নেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। এতে আমাদের সময় যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি রোজাতে খুব কষ্ট করতে হচ্ছে।

শহরের বাসিন্দা প্রাইভেটকারচালক পিয়াস বলেন, শুক্রবার বিকাল থেকে কিশোরগঞ্জের পাম্পগুলোতে এক হাজার টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না। প্রাইভেটকারে এই তেল দিয়ে কিছুই হয় না। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে তেল নিতে হয়। তেল সংকট হবে এই চিন্তা থেকে মোটরসাইকেলের চালকরা এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে এসে তেল নেওয়ার কারণে পাম্পে গাড়ির লাইন লেগেই থাকছে।

শহরের মুকসেদপুর (বড়পুল) চৌধুরি ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী রাজিব মিয়া বলেন, সরকারের বেঁধে দেওয়া নির্ধারিত হারে তেল সরবরাহ করছি আমরা। তবে মানুষজন হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। অনেকেই টাংকি নিয়ে তেল নিতে এসেছেন। বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক এবং প্রাইভেট ক্লিনিকে জেনারেটর চালানোর জন্য তেলের প্রয়োজন হয়। এসব প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র দেখাতে পারলে ট্যাংকিতে তেল দেওয়া হচ্ছে। এর বাইরে কাউকে তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে কিশোরগঞ্জে তেলের এখনও কোনও সংকট তৈরি হয়নি।

এএন

Link copied!