গোলাম কিবরিয়া সোহেল, নেত্রকোণা
মার্চ ২৬, ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে নেত্রকোণায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর বৈষম্যমুক্ত, সুখী ও সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়ার দীপ্ত অঙ্গীকারে প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।
সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
সূর্যোদয়ের পর কালেক্টরেট ভবন প্রাঙ্গণে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিসৌধে ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেত্রকোণা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপির সভাপতি, বিশিষ্ট অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে জেলা বিএনপি; জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসন; পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে জেলা পুলিশ; নবনিযুক্ত প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নূরুর নেতৃত্বে জেলা পরিষদ; পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম সরদারের নেতৃত্বে পৌরসভা; জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ; সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা বিনতে রফিকের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসন; জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরীর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান।
সকাল ৮টায় নেত্রকোণা আধুনিক স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় পাবলিক হলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
বাদ জোহর মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়। বেলা দেড়টার দিকে হাসপাতাল, জেলখানা ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। বিকেলে কাবাডি প্রতিযোগিতা ও বিনামূল্যে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়।