ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

শরীয়তপুরে তেল না পেয়ে ফিলিং স্টেশন ঘেরাও করে কৃষকদের বিক্ষোভ

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর

মার্চ ২৯, ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম

শরীয়তপুরে তেল না পেয়ে ফিলিং স্টেশন ঘেরাও করে কৃষকদের বিক্ষোভ

তেল না পেয়ে শরীয়তপুর শহরের একটি পেট্রোল পাম্প ঘেরাও করেন কৃষকেরা। গতকাল শনিবার রাতে ২০০ শতাধিক কৃষক শরীয়তপুর-মাদারীপুর সড়কের মনোহর বাজার এলাকায় হাজী আবদুল জলিল ফিলিং স্টেশনের সামনে বিক্ষোভ করেন। পরে শরীয়তপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তাঁদের তেল দেওয়া হলে তাঁরা পাম্প ছেড়ে চলে যান।

জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুর জেলার ৬টি উপজেলায় ৬টি পেট্রোল পাম্প রয়েছে। বিভিন্ন যানবাহনের জন্য প্রতিদিন এসব পাম্পে ৪০ হাজার লিটার ডিজেল, ১৫ হাজার লিটার পেট্রোল ও ১২ হাজার লিটার অকটেন প্রয়োজন। এ ছাড়া জেলায় অন্তত দেড় লাখ মানুষ কৃষিকাজে যুক্ত। এসব কৃষকের সেচযন্ত্র চালাতে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ হাজার লিটার ডিজেল প্রয়োজন। অন্যদিকে জেলায় ৩৩ হাজার জেলে মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত, যাঁদের ব্যবহারের জন্য ১২ হাজার ইঞ্জিনচালিত নৌকা রয়েছে। এসব নৌকা চালাতে প্রতিদিন ৩৫ থেকে ৪০ হাজার লিটার ডিজেল প্রয়োজন। কয়েক দিন ধরে শরীয়তপুর জেলায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ কম। ঈদের পর টানা তিন দিন পাম্পগুলো বন্ধ ছিল। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও নদীতীরবর্তী এলাকায় তেল বিক্রেতারা প্রতি লিটার ডিজেল ৫০ থেকে ৭০ টাকা বেশি দামে কৃষক ও জেলেদের কাছে বিক্রি করছেন। অনেক স্থানে কৃষক ও জেলেরা তেল পাচ্ছেন না। ফলে সেচযন্ত্র ও কৃষিযন্ত্র চালানো ব্যাহত হচ্ছে। এতে ইরি-বোরো আবাদও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

শরীয়তপুর শহরের আংগারিয়া বাজারের কৃষক নান্টু খা ও রমিজ বেপারী জানান, শরীয়তপুর সদরের মনোহর বাজারের হাজী আবদুল জলিল ফিলিং স্টেশনে টানা চার দিন তেল বিক্রি বন্ধ ছিল। গতকাল বিকেলে বিক্রি শুরু হলে সন্ধ্যার পর কৃষকেরা সেখানে তেল নিতে যান। কিন্তু তাঁদের তেল দেওয়া হচ্ছিল না। এতে ২০০ শতাধিক কৃষক সেখানে জড়ো হয়ে পাম্পটি ঘেরাও করেন। তাঁরা অন্যান্য যানবাহনে তেল বিক্রি বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।

কৃষকেরা পাম্প ঘেরাও করেছেন এমন খবর পেয়ে সেখানে যান সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাফিজ এলাহী ও পালং মডেল থানার পুলিশ। তাঁদের হস্তক্ষেপে প্রত্যেক কৃষককে ৫ লিটার করে ডিজেল দেওয়া হয়। এরপর রাত সাড়ে নয়টার দিকে কৃষকেরা বিক্ষোভ বন্ধ করে পাম্প ছেড়ে চলে যান।

পাম্পের মালিক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর সরদার বলেন, ‘বরিশাল ডিপো থেকে চার দিন কোনো তেল সরবরাহ করা হয়নি। তাই পাম্পে তেল বিক্রি বন্ধ রাখতে হয়েছে। গতকাল বিক্রি শুরু হলে শত শত যানবাহনের ভিড় হয়। আর জেলা প্রশাসন খোলা পাত্রে তেল বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে। তাই কয়েকজন কৃষককে খোলা পাত্রে তেল দেওয়া হচ্ছিল না। তখন তাঁরা পাম্প ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। পরে তাঁদের তেল দেওয়া হয়েছে।’

শরীয়তপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাফিজ এলাহী বলেন, ‘পাম্পে কৃষকেরা বিক্ষোভ করছেন এমন খবর পেয়ে রাতে সেখানে যাই। পরে প্রত্যেককে পাঁচ লিটার করে ডিজেল দেওয়া হয়েছে। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।’

এএন

Link copied!